ডেস্ক: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রাজ মিয়া ও সাহিদা আক্তার দম্পতির জোড়া শিশু তোফা ও তহুরার অস্ত্রোপচারের পর বুধবার (১৬ আগস্ট) সকালে সেলাই কাটা হয়েছে। এখন ওরা আগের চেয়ে বেশ ভালো আছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাহনূর ইসলাম জানান, তোফা ও তহুরার ওষুধের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও তারা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়।
তিনি বলেন, ‘সেলাই খোলার পর কিছু ক্ষত স্থান ছিলো সেখানে মলম লাগানো হয়েছে। তহুরার যে ইনফেকশন ছিলো তা কেটে গেছে। এখন দু্’জনেই স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছে।’
১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের ২০ থেকে ২২ জনের একটি দল দীর্ঘ নয় ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে জোড়া লাগা তোফা ও তহুরাকে আলাদা করে। অস্ত্রোপচারের পর জ্বর, সংক্রমণসহ কিছু জটিলতা দেখা দেয় ওদের। তবে আজ দুজনই অন্যদিনের তুলনায় অনেক ভালো।
পিঠের নিচ থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে জন্মেছিল তোফা-তহুরা। ওদের বয়স এখন ১০ মাস, ওজন প্রায় ১০ কেজি। গাইবান্ধার এই দুই শিশু জন্ম থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচারের আগ পর্যন্ত একজন আরেকজনের মুখ দেখতে পায়নি। এখন একজন আরেকজনকে দেখতে পায়।
তোফা ও তহুরা যেভাবে জোড়া লাগানো ছিল, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘পাইগোপেগাস’। বাংলাদেশে ‘পাইগোপেগাস’ শিশু আলাদা করার ঘটনা এটি প্রথম। এর আগে অন্যান্য হাসপাতালে অন্য ধরনের জোড়া লাগানো শিশুদের অস্ত্রোপচার করে আলাদা করা হয়।

এ বিভাগের আরো..
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল কিভাবে জানা যাবে
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে হেপাটাইটিস বি-বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার
হুমকির মুখে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি