ডেস্ক: ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বর্ষাকাল মানেই রোদ ও বৃষ্টির খেলা। দিন-রাতের যেকোনো সময় কোনো আভাস ছাড়াই হঠাৎ শরীর ভিজিয়ে দেয় আকাশের কান্না। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরের অন্যান্য সময়েও রোদ-বৃষ্টির খেলা চলে। আবার কখনো কখনো প্রচণ্ড রোদের দাবদাহও দেখা যায়।
রোদ বা বৃষ্টি; যায় হোক না কেন- ঘর থেকে বের হওয়ার সময় অনেক মানুষের প্রিয় অনুষঙ্গ ছাতা। রোদে ত্বকের সুরক্ষা এবং বৃষ্টির সময় কাক ভেজা হওয়া থেকে বাঁচতে ছাতার কোনো বিকল্প নেই।
বিশ্বের সব দেশেই ছাতার ব্যবহার হয়। এগুলোর কাজ একই হলেও ডিজাইনে বৈচিত্র রয়েছে। অর্থসূচকের আজকের আয়োজনে থাকছে ছাতার বাহার …

এলইডি লাইট ছাতা:
ছাতার লাঠির মধ্যেই আছে এলইডি লাইট। অন্ধকারে এই ছাতা আলো দেবে। এলইডি লাইট ছাতা হাতে থাকলে রাতের বেলা পথ চলতে আর টর্চ লাইটের প্রয়োজন হবে না।

নাব্রেলা:
ছাতার ইংরেজি প্রতিশব্দ আমব্রেলা। কিন্তু ছবিতে সাইকেল চালকের মাথার অংশ যে ছাতাটি দেখা যাচ্ছে, সেটি আমব্রেলা নয়; এর নাম নাব্রেলা। হাতে ধরে রাখার ঝামেলা নেই। ২০০২ সালে এই ছাতা তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালান কফম্যান।

উল্টো ছাতা:
আমাদের দেশে সাধারণত কোনো পশু-পাখির জন্য ছাতা ব্যবহারের প্রচলন নেই। তবে পোষা প্রাণির জন্যও ছাতার ব্যবহার হয়। এটি অবশ্য উল্টো ছাতা।

টুপিওয়ালা ছাতা:
চীনের শিশুদের কাছে জনপ্রিয় এই ছাতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একটি টুপি। হাতে ধরার কোনো ঝামেলা নেই। আবার ছাড়া উড়ে যাওয়ারও কোনো আশঙ্কা নেই। ব্যবহার শেষে ব্যাগে রেখে দেওয়া যায় সেটি।

মেঘ ছাতা:
দেখতে অনেকটা মেঘের মতো বলে এর নাম ‘মেঘ ছাতা’ বা ক্লাউড আমব্রেলা। সেটি তৈরি করেছেন নেদারল্যান্ডসের ডিজাইনার জুনসি কিম। বন্ধ অবস্থায় ছাতাটা দেখতে স্রেফ একটা লাঠির মতো।

সামুরাই ছাতা:
ছাতার হাতলটা দেখতে অনেকটা প্রাচীন জাপানের যোদ্ধা সামুরাইদের তলোয়ারের মতো। আবার তলোয়ারের মতো এই ছাতা কাঁধে ঝুলিয়েও রাখা যায়।
সূত্র: অর্থসূচক

এ বিভাগের আরো..
প্রতিনিয়ত বুড়িগঙ্গার দূষণ আরও বিস্তৃত হচ্ছে
উপকূলীয় মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করছে সামাজিক ম্যানগ্রোভ বনায়ন
পানিতে উচ্চ লবণাক্ততা উপকূলীয় নারীদের মারত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছে