কুঞ্জ বিহারী আদিত্য : যাঁদের জীবনের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের স্বপ্নের মহান স্বাধীনতা, তাঁদের অনেকেই আজ স্মৃতির কালগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছেন। আমি তেমনই একজন বীরের কাহিনী আগামী প্রজন্মের কাছে বলছি। সাহিত্য-সংস্কৃতি-ধর্ম-সমাজসেবা-সভা ও সমাবেশের বির্ভীক উচ্চারনের একটি অসম্ভব সাহসের নাম এবং একটি শানিত অঙ্গিকারের থেমে না থাকা প্রজ্জলিত উচ্চারনের নাম শহীদ প্যারী মোহন আাদিত্য।
প্যারী মোহন আদিত্য ১৯৩৪ইং সালে ৫ জুলাই,পাকুটিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতা স্বর্গীয় মুকুন্দ আদিত্য, মাতা মহামায়া আদিত্য। চার ভাইদের মধ্যে বড় ভাই রাসবিহারী আদিত্য, মেজ প্যারী মোহন আদিত্য, সেজ অমরেন্দ্রনাথ আদিত্য, সর্ব কনিষ্ঠ আমি (কুঞ্জ বিহারী আদিত্য)। তাঁর জীবন কাহিনী লিখতে গেলে আমার কিছু কথা এসে যাবে। আমার জ্যেঠাত বড় ভাইয়ের স্ত্রী গৌরী বালা আদিত্য (বৌদি) এবং জ্যেঠাত বড় বোন নিরু বালা আদিত্যের নিকট জেনে তার জীবনের কথা লিখছি।
প্যারী মোহন আদিত্য জন্মের ৩ বছর পর এক সন্ন্যাসী আমাদের বাড়ী আসেন এবং তাঁকে কোলে নিয়ে আশির্ব্বাদ করে বলে ছিলেন এ ছেলে সৎ, বিনয়ী,ন্যায়-পরায়ন ও দেশ প্রেমীক হবে। তিনি তাঁর নাম দিয়েছিলেন কহগোবিন্দ। আমার জ্যেঠাত দিদি এ নামেই ডাকতেন, কিন্তু আমার ঠাকুরমা নাম রেখে ছিলেন প্যারী মোহন আদিত্য। এ নামেই তিনি সুপরিচিত। তিনি ছিলেন পিতৃ-মাতৃ ভক্তি পরায়ন।
গ্রাম ছিল তাঁর অতি প্রিয়, গ্রামের শ্যামল দৃশ্য ও ¯িœগ্ধ ছায়া তাঁকে বারবার আকর্ষণ করতো; গ্রামের বাঁশঝার ও আম-কাঁঠালের ছায়ায় বসে গ্রামের লোকদের সাথে গল্প করতেন, তাদের সুখ-দুঃখের কথা, নানা সমস্যার কথা অন্তরঙ্গ বন্ধুর মতোই শুনতেন এবং সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতেন।
প্যারী মোহন আদিত্য ছিলেন বুদ্ধিদীপ্ত সুন্দর সরল মনের মানুষ। একজন ন্যায়-পরায়ন, নিষ্ঠাবান, আপোষহীন কর্মী হওয়ায় উচ্চাভিলাশী জীবনে অনাগ্রহী ছিলেন। সব সময় দেখেছি ঝরসঢ়ষব ষরারহম, যরময ঃযরহশরহম এই ছিল তাঁর জীবনবোধ। খাবার-দাবার বা পোশাক পরিচ্ছদের দিকে তার কোন আকর্ষণ ছিল না। গনমাধ্যম ও প্রকাশনার প্রতি ব্যতিক্রম একটা আগ্রহ ছিল তাঁর। প্রথম দিকে তিনি ছোট ছোট পুস্তিকা ছাপিয়ে ঠাকুরের আদর্শ ও সমসাময়িক সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে জনসমাজে কাজ শুরু করেন। পায়ে হেঁটে ও সাইকেলে বিভিন্ন এলাকায় শ্রীশ্রীঠাকুরের বানী ও আদর্শ প্রচার করতেন। ছোট ছোট প্রকাশনা গুলোর সাফল্য তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাই ১৯৫৭ইং সালে টাঙ্গাইলস্থ পাকুটিয়া থেকে প্রকাশিত ”সৎসঙ্গ সংবাদ” পত্রিকাটি মন্দির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সংখ্যা হিসাবে (আষাঢ় সংখ্যা) প্রকাশিত হয়। প্রত্রিকাটি শ্রীকুঞ্জ বিহারী মজুমদার কাব্যতীর্থ ও শ্রীপ্যারী মোহন আদিত্যের যুগ্ম সম্পাদনায় প্রকাশ শুরু হয়েছিল। পুরো সম্পাদনায় থাকেন রাস বিহারী আদিত্য। যা বর্তমানে মাসিক ”সৎসঙ্গ সংবাদ” পত্রিকা হিসাবে প্রকাশিত হচ্ছে। এ পত্রিকাটি তৎকালিন সময়ে টাঙ্গাইল তথা সমগ্র বাংলাদেশে বহুল প্রচারিত গনমাধ্যম হয়ে উঠেছিল। তিনি সৎসঙ্গ সংবাদের সহ সম্পদক এবং একজন কর্মী হিসেবে খুবই সচেতন ভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মবোধ ও জাতীয়তাবোধ গঠনে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্থানীয় ভাবে তিনি গড়ে তুলে ছিলেন আঞ্চলিক সাহিত্য পরিষদ এবং কিশোর মহল। যুবক ও তরুনরা প্রতি সপ্তাহে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে লেখার মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করত। তিনি এই সত্য নিশ্চয় উপলব্দি করেছিলেন, মানুষের সুস্থ চেতনাই মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭০ এর নির্বাচন ও সেই সময়ে ঘটে চলা সকল রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের দিকে নিয়মিত নজর ছিল তাঁর। আশ্রমের কাজে যুক্ত থাকার পাশাপাশি থেকেছেন নিজের দেশমাতৃকার স্বাধীনতার পথ প্রবাহে।
গনমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি যেমন সক্রিয় ভুমিকা রেখেছেন, তেমনি জীবনবাদী দর্শন প্রচারে এবং জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটাতে, একজন সক্রিয় সাংস্কৃতিক কর্মী ছিলেন। তিনি গল্প ও কবিতা লেখা ছাড়াও গান, বাজনা, যাত্রা, থিয়েটারে ভাল অভিনেতা ছিলেন। ছিলেন সদা হাস্য ও জন দরদী ছিলেন।
এত দায়িত্বের পরেও প্যারী মোহন আদিত্য সমান মনোযোগী ছিলেন সংসারের প্রতি। সাংসারিক কর্তব্য পালনে তিনি অনেকেরই অনুস্মরনীয় হতে পারেন। ধর্মীয় আধ্যাত্ম চেতনা , দেশপ্রেম এই সব কিছু ছাড়িয়ে তিনি একজন যোগ্য সন্তান, ভ্রাতা ও স্বামী ছিলেন। তিনি যৌথ পরিবারের দায়িত্ব নিজ ইচ্ছায় নিজের কাঁধে নিয়েছিলেন। ১৯৫৮ সনের ফ্রেরুয়ারী মাসে আমি প্যারীদার সাথে শ্রীশ্রীঠাকুরের সান্নিধ্যে এবং সাংগঠনিক আলোচনার পর শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর ব্যবহৃত শ্রীশ্রীপাদুকা প্যারীদার হাতে প্রদান করলেন। আজও পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ শ্রীমন্দিরে সংরক্ষিত করে রাখা আছে সেই শ্রীশ্রীপাদুকা। তখন থেকেই পুণ্য পাদপীঠ পাকুটিয়া ধাম নামে পরিচিত।
যুক্তির চেয়ে আবেগকেই বেশি মূল্য দিয়েছেন তিনি। এটা গৌরব করে বলতে তাঁর দ্বিধা ছিল না। এ কারণে দুঃখও পেয়েছেন। তবে মানুষকে অসম্ভব ভালোবাসতে পারতেন। বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়স্বজন যাকেই মন থেকে ভালবেসেছে তার জন্য করতে পারে না এমন কাজ ছিল না তাঁর কাছে। তাঁকে নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখেছি আর সবচেয়ে ভালবাসার ও শ্রদ্ধার মানুষ ছিলেন, বাবা-মা। বড় ভাই এর প্রতি অন্ধ ভালবাসায় জীবনের অনেক কিছুই তুচ্ছজ্ঞান করেছেন। অনেক সাধ-অহ্লাদকে বিসর্জন দিয়েছেন। ১৯৬৮ সালের ১৫ জুলাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন প্যারী মোহন আদিত্য।
বৃটিশ শাসনের শেষ অংশে ভারত পাকিস্থানের বিভক্তি। সাধারন মানুষের অবর্ননীয় দুঃখ, দেশ ত্যাগ, সব ইতিহাসের প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে অবলোকন করেছেন প্যারী মোহন আদিত্য। ১৯৪৭ এর দেশভাগ বাঙ্গালীদের জন্য কোন সুফল বয়ে আনেনি। বৃটিশদের শোষনের চেয়েও পাকিস্তানী শাসকরা আরো বেশি শোষণ করতে শুরু করে। ব্যাপক অর্থনৈতিক বিভক্তি এ বাংলার মানুষের জীবন জীবিকা, যাপিত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্যারী মোহন আাদিত্যের জীবনেও সেই প্রভাব প্রকট হয়ে দেখা দেয়। এর মধ্যেও সেই সময় থেকেই বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাতের ভিতর দিয়ে পুণ্য তীর্থ হিমাইতপুরের স্মৃতি বুকে নিয়ে রাস বিহারী আদিত্য ও প্যারী মোহন আদিত্য শ্রীশ্রীঠাকুরের নির্দেশ সম্বল করে চলেছেন সৎসঙ্গ প্রতিষ্ঠায়। দিন যায় কথা থাকে। ইতিহাস স্বাক্ষী আশ্রমের প্রসারতা বেড়েছে, লোক সমাবেশ বেড়েছে। সেই মানব কল্যাণের জন্যই প্যারী মোহন আদিত্য মানবতার সেবায় মনোনিবেশ করেছিলেন।
১৯৭১ সালে ২৫মার্চ পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী বাঙ্গালী জাতির উপর বর্বোরচিত হামলার আগে (২৪শে মার্চ) তৎকালীন পুর্ব পাকিস্থানের জাতীয় সংসদের স্পীকার আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য শামসুর রহমান খান শাহজান, ভবেশ বোষ, বাসেদ সিদ্দিকী এবং র্মিজা আমজাদ হোসেন সহ আরো বিশিষ্ট ব্যাক্তির বিভিন্ন সময়ের পরার্মশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং কিছু অর্ঘ্য দান করেছিলেন আপদকালীন ফান্ডে। সাথে ছিলেন বড় ভাই রাস বিহারী আদিত্য এবং অমরেন্দ্র নাথ আদিত্য।
রাস বিহারী আদিত্যের তত্ত্বাবধানে পূর্ব পাকিস্তানে সৎসঙ্গ এগিয়ে চলছিলো। আমরা সবাই বড় ভাইয়ের কথা মত এবং তাঁর নির্দেশ মত এক সাথে চলেছি, কাজ করেছি এবং যোগান দিয়েছি সব কাজের। দেখতে দেখতে ঘনিয়ে এলো ১৯৬৯ইং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ডাক দিলেন অসহযোগ আন্দোলন ও গন অভ্যুথানের। এতেও তিনি যোগ দিয়েছেন।
স্বভাবজাত একজন অসাম্প্রদায়িক মানবসেবী মানুষ ছিলেন প্যারী মোহন আদিত্য। মানুষের দু:খ মোচনের জন্য সদা জাগ্রত। ১৯৭০ সালে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিনাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও জলোচ্ছাস দেখা দেয়। শত শত মানুষ মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। তিনি তাঁর কর্মীসহ এসেছিলেন দুঃস্থদের সাহার্য্য সহযোগীতা করার জন্য।
১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে প্যারী মোহন আদিত্য অগ্রনী ভূমিকা রেখেছেন। দেশের প্রতি ভালবাসা ও সততার পরিচয়ে গ্রামের মানুষের প্রিয় পাত্র ছিলেন। নিশ্চিত মৃত্যু জানিয়াও দেশের সেবায় হাত দিয়েছিলেন, কাঁধে বন্দুক নিয়ে নয়, বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করে, গোপনে আশ্রয় দিয়ে তাদের সুস্থ করে তুলতেন। ৪ এপ্রিল ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের প্রতিকৃতিতে পাকিস্তান বাহিনী গুলি করার পর, পাশে ধ্যান রত অবস্থায় প্যারী মোহন আদিত্য থাকায় তাঁকে মুর্তি ভেবে হানাদার বাহিনী সেদিন চলে যায়। আবার ১৯৭১ এর ২১শে মে আনুমানিক ৯টায় পাকিস্তানীদের হাতে ধরা পরে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে ভারতে গেলেও দেশকে ভালবাসার জন্য আবার চলে আসেন। তিনি বলতেন, ’পাকিস্তানীদের ভয়ে আত্মগোপন করলে মুক্তিযোদ্ধাদের একটা আশ্রয় ভেঙ্গে যাবে। মুক্তিযোদ্ধারা যদি প্রানের ভয় ত্যাগ করে, গৃহের আরাম ও মায়ের ¯েœহ ও ভালবাসা, সন্তান ও স্ত্রীর ¯েœহ ও ভালবাসা ভুলে দিনের পর দিন মাসের পর মাস বনে জঙ্গেলে অনাহারে অর্ধাহারে যুদ্ধ করতে পারে তবে আমি কেন প্রানের ভযে পালিয়ে থাকব? তাই আমি চলে আসলাম। এদেশ আমাদের”।
১৯৭১ সালে ভয়াল ৮ আগষ্ট ২টি কন্ঠের তীব্র চিৎকারে আর কামানের গোলাগোলির শব্দে সেদিন পাকুটিয়ার আকাশ শিউরে উঠেছিল। পাকুটিয়া সৎসঙ্গ আশ্রমে কাদেরীয়া বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার আলহাজ্ব খোরশেদ আলম তালুকদার বীরপ্রতিক তার কম্পানীর জোয়ান সহ অবস্থান করছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাটি এই আশ্রম। সেই মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দাতার উপর আক্রমন চালায় পাকিস্থানী বাহিনী। এলএম জি দিয়ে গুলি বিদ্ধ করে এবং বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে দাদাকে। মৃত্যুর পূর্বক্ষণে বলেছিলেন, ”শেখ মুজিব জয়যুক্ত হবে দেশ স্বাধীন হবে, তোমরা সাবধানে থেকো”। সন্ধ্যা প্রার্থনা শেষে তাঁর জীবনাবসান হয়। পরে তাঁকে বাড়ীর নিকট আশ্রমস্থ সমাধিক্ষেত্রে দাহ করা হয়।
এর পর পার হয়ে গেছে অনেক বছর। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনা হয়েছে। কিন্তু সবার আত্মত্যাগ ইতিহাসের পাতায় কি ধারণ করতে পেরেছে? সৎসঙ্গ আশ্রম পাকুটিয়া শুধু একটি আধ্যাত্মিক চর্চার কেন্দ্র নয়, সময়ের প্রয়োজনে দেশ মাতৃকার টানে এই আশ্রম যে মুক্তি ক্যাম্প হয়ে উঠেছিল তা কয়জন জানে বা আর মনে রেখেছেন?
একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানে এইসব প্রচারের আলোর বাইরে থাকা দেশ প্রেমিকদের কাহিনী নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। যাতে তারা উপলব্দি করতে পারে স্বাধীনতার মূল্য কতখানি। সময়ের প্রয়োজনে তিনিই মুক্তিসেনানী হয়ে লড়েছেন একটি স্বাধীন দেশের জন্য, একটি জাতির জন্য। ধন্য তুমি। ধন্য ধন্য প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।
কৃষি কর্ম ও লৌহ শিল্পের জন্য তিনি ছিলেন পারর্দশী। অর্থ উপার্জনের জন্য গণ গণে আগুনে ফাপর টেনে টেনে লৌহ শিল্পের কাজ করতেন। তা ধারিয়াল, রাজাফৈর, কাবারিয়া বাড়ী থেকে লোহার জিনিস ক্রয় করা সহ আবার সেই সব গোপালপুর, মধুপুর, ধনবাড়ী, শালিয়াজানি হাটে বিক্রি করতেন। তাঁর সহপাঠী ছিল নিবারণ চন্দ্র আদিত্য, ধীরেন চন্দ্র রায়,মনীন্দ্র চন্দ্র ভদ্র, তুলসী চরণ আদিত্য,মন্টু চন্দ্র আদিত্য,আব্দুল রহমান বেপারী এবং আব্দুল জলিল সহ আরো অনেকে।
১৯৫৮ সনের ফ্রেরুয়ারী মাসে আমি প্যারীদার সাথে শ্রীশ্রীঠাকুরের সান্নিধ্যে এবং সাংগঠনিক আলোচনার পর শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর ব্যবহৃত শ্রীশ্রীপাদুকা প্যারীদার হাতে প্রদান করলেন। আজও পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ শ্রীমন্দিরে সংরক্ষিত করে রাখা আছে সেই শ্রীশ্রীপাদুকা। তখন থেকেই পুণ্য পাদপীঠ পাকুটিয়া ধাম নামে পরিচিত।
লেখক: সভাপতি, সৎসঙ্গ বাংলাদেশ।

এ বিভাগের আরো..
অতিরিক্ত ভালোবাসা ঠিক নয়
সংসদ সদস্যকে আইন প্রনয়ন নয়, মানতেও হবে
জাতীয় চারনেতা হত্যা নেপথ্যে থাকা কুশলীব কারা