ডেস্ক: দলের আমির ও কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও রিমান্ডের প্রতিবাদে দেশব্যাপী জামায়াতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে। তবে হরতালের তেমন কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি রাজধানীতে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে জামায়াতের হরতাল শুরু হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগে থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থা নেয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
তবে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সকাল থেকেই অন্যান্য দিনের মতো চলছে সব ধরনের যানবাহন। তবে যানবাহনের চালক ও হেলপারদের সতর্ক থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, হরতালে স্বাভাবিক রয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান।
সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কর্মমুখী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এমনকি হরতালেও রাজধানী থেকে ছাড়ছে ও আসছে দুরপাল্লার বাস।
হরতালকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তাদের বাড়তি উপস্থিতি রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কিছু কিছু পয়েন্টে রাখা হয়েছে টহল টিমের গাড়ি ও এপিসি, জলকামান ও প্রিজন ভ্যান।
জানা গেছে, রাজধানীর ব্যাংকপাড়াখ্যাত মতিঝিল, ফার্মগেট, উত্তরা, বসুন্ধরা, আসাদগেট, নিউমার্কেট ও মিরপুর এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় নিত্যদিনের মতোই পরিস্থিতি ও যান চলাচল রয়েছে।
গত ৯ অক্টোবর রাতে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে ‘গোপন বৈঠক’ করছেন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদ, নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমানসহ কয়েক শীর্ষ নেতাকে। পরদিন বিকেলে তাদের রিমান্ডে পাঠান আদালত। এর প্রতিবাদে ও নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় জামায়াত।

এ বিভাগের আরো..
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড সভা কাল
অধ্যক্ষ জীবুন নিছাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে পেতে চায় টাঙ্গাইলবাসী