ডেস্ক: গেলো দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে হাঁটু থেকে বুক সমান পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের নিচু এলাকা। নগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, শান্তিবাগ, ছোটপুল, বড়পুল, হালিশহর, বাকলিয়া, চকাবাজারসহ বিস্তির্ণ এলাকা তলিয়ে যায় পানিতে।

এলাকাগুলোতেও হাঁটু পর্যন্ত পানি থাকলেও আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এবং সিডিএ আবাসিক এলাকায় অবস্থা খুবই করুণ। সিডিএ আবাসিক ও আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের কোথাও কোথাও বুক সমান পানি। সিডিএ আবাসিক এলাকার ভবনগুলোর নিচতলা প্রায় পানিতে ডুবানো।
ঐ এলাকার দোকানগুলোতে কোমর পর্যন্ত পানি প্রতিরক্ষা দেয়াল দিয়েও রক্ষা পায়নি ব্যবসায়ীরা।এসব এলাকার মানুষের যাতায়াতের এখন অন্যতম বাহন হয়েছে নৌকা। কোথাও কোথাও রিকসাভ্যান। নৌকায় এক কিলোমিটার পথ যেতে জনপ্রতি ২০ টাকা এবং এর বেশি দুরত্বের পথে যেতে মাঝিরা নিচ্ছে ৩০ টাকা। একই ভাড়া রিক্সা ভ্যানের ক্ষেত্রেও।
রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নগরবাসী। জলাবদ্ধতার কারণে সংকট ছিলো যানবাহনেরও।
দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামবাসীর কাছে। একটু বৃষ্টি হলেই কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যায় পুরো নগরী। পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। পরিণত হয় ভোগান্তির নগরীতে।
গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীর চকবাজার, ২ নম্বর গেট, আগ্রাবাদ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, প্রবর্তক, সিডিএ আবাসিকসহ বিভিন্ন এলাকা।

কোথাও হাঁটু সমান আবার কোথাও কোমর সমান পানিতে নাকাল হতে হয় সাধারণ মানুষকে। জলাবদ্ধতার কারণে সংকট ছিলো যানবাহনেরও। অনেকে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার দুপুর ১২টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৯৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো..
চট্টগ্রামবাসীর বহুল প্রত্যাশিত ক্যান্সার হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন
কক্সবাজার রেললাইনের দুইপাশে হাজারো দর্শকের উচ্ছাস
শকুন ও রাজনীতির কাক থেকে দেশ বাঁচাতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী