ডেস্ক : বাংলাদেশের মানুষের জীবনের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে বইমেলা। এভাবে লিখতে ভালো লাগল বলে লিখছি। আসলে এ কথার পুরোটি সত্য নয়। একুশের বইমেলার জন্য অধীর আগ্রহে বছরজুড়ে অপেক্ষা করে প্রধানত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। নিম্নবিত্তের ছোট্ট একটি অংশ যে বইয়ের টানে মেলায় আসে না তেমন নয়। তবে উচ্চবিত্তদের খুব হাতেগোনা অংশই বইমেলা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। যা হোক–
অমর একুশে গ্রন্থমেলার ষষ্ঠ দিনে (২৪ মাঘ ১৪২৩/৬ ফেব্রুয়ারি, সোমবার) নতুন বই এসেছে ৯০টি এবং ৮টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এ ছাড়া মেলা ঘুরে দেখা গেছে লোকসমাগম বেড়েছে। ধীরে ধীরে লোকসমাগমে জমজমাট হয়ে উঠছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা।
মেলার ষষ্ঠ দিন বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার অভিধান : দেড় শ’তম জন্মবর্ষের স্মরণ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. স্বরোচিষ সরকার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক আহমদ কবির, অধ্যাপক মহাম্মদ দানীউল হক ও হাকিম আরিফ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. গোলাম মুরশিদ।
সভাপতির বক্তব্যে ড. গোলাম মুরশিদ বলেন, হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্মরণের তাৎপর্য অপরিসীম। তার অভিধান-অন্বেষা যেমন বঙ্গীয় শব্দকোষের মতো মহার্ঘ্য অভিধান আমাদের উপহার দিয়েছে তেমনি উত্তরকালের গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা রেখে গেছে।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সুজিত মোস্তফা, ইয়াসমিন মুশতারী এবং এ কে এম শহীদ কবীর পলাশ। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার (তবলা), বিদ্যুৎ রায় (প্যাড), সুনীর কুমার সরকার (কিবোর্ড) এবং ফিরোজ খান (সেতার)।
আগামীকাল ২৫ মাঘ ১৪২৩/৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ অমর একুশে গ্রন্থমেলা ৭ম দিন। গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে হরিচরণ বাংলা ভাষার প্রযুক্তি ব্যবহার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন মোস্তাফা জব্বার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন মো. নজরুল ইসলাম খান ও শ্যামসুন্দর সিকদার। সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। সন্ধ্যায় রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এ বিভাগের আরো..
কোলকাতায় বিশ্ব কবি মঞ্চ সম্মাননা পেলেন অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল
একুশে বইমেলা শুরু হচ্ছে ১ ফেব্রুয়ারি
কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী