ডেস্ক : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ‘কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি না আসায়’ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাজমুল সভাপতি ও সুমনকে সম্পাদক করে বাংলাদেশ স্টুডেন্ট কাউন্সিলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি
দেশীয় পণ্যে আস্থা অর্জনে মান নিশ্চিতে গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের
জেলে বসেই ভিওআইপি’র ব্যবসা থেকে টাকা লুটছেন সালমান এফ রহমান
বিচারক-আইনজীবীদের কালো কোট-গাউন পরতে বাধ্যবাধকতা নেই।
রাফায় হামলা হলে ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ হবে
ডেস্ক : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ‘কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি না আসায়’ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে মঙ্গলবার এ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ছোটোখাটো ঘটনা হলেই দেখি হাউকাউ শুরু হয়ে যায়। একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করার পর কোনো মানবাধিকার সংগঠন বা কেউ এ ব্যাপারে কোনো শব্দও করে না।
গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের শাহবাজ গ্রামে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয় মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে।
আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্যকে খুনের জন্য জামায়াতে ইসলামীকে দায়ী করে আসছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।
পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে এভাবে মৃত্যুবরণ করতে হবে, এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি এলাকায় এ ব্যাপারে সর্তক থাকবে হবে।”
২০১৫ সালের অক্টোবরে সুন্দরগঞ্জে লিটনের গুলিতে এক শিশু আহত হওয়ার ঘটনায় বেশ কিছুদিন কারাগারে কাটাতে হয় এই সংসদ সদস্যকে। সে সময় তার লাইসেন্স করা অস্ত্রও জব্দ করে থানায় রাখা হয়।
সেই প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, “তার (লিটন) বাসা থেকে পুলিশ তুলে নেওয়া হয়েছিল। কেন পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়া হলো? তার বিরুদ্ধে একটা অপবাদ দিয়ে তার লাইসেন্স করা অস্ত্র তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হল। মনে হল একেবারে পরিকল্পিতভাবে ছেলেটাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হল।”
২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় ঘোষণার পর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, পলাশবাড়ি, গোবিন্দগঞ্জসহ বিভিন্নস্থানে তাণ্ডব চালায় জামায়াতকর্মীরা। ‘জামায়াত অধ্যুষিত এলাকায়’ ওই ঘটনার পরও পুলিশ এমপি লিটনের জন্য যে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।“এ ধরনের ঘটনা যেখানে ঘটেছিল, সেখানে একজন সংসদ সদস্যের নিরাপত্তার দিকে দৃষ্টি না দিয়ে, কোন পত্রিকায় কি লিখল সেটা দেখে সঠিক খবর না নিয়ে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হল, নযার জন্য একজন সংসদ সদস্যকে জীবন দিতে হল।”
লিটন হত্যাকাণ্ডকে ‘ষড়যন্ত্রের অংশ’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যারা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে হত্যা করল, মসজিদে আগুন দিল, মানুষ পোড়াল, তাদের বিরুদ্ধে তো অত বেশি সোচ্চার হতে দেখি না।”
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি এলাকায় জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রাখতে হবে। নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে সব পরিস্থিতি মোকাবেলায় করতে হবে।
সাম্প্রতিক বিশ্ব প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এখন ‘বৈশ্বিক পর্যায়ে’ পৌঁছে গেছে। অনেক দেশই পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে।
“বাংলাদেশ এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। কোনোভাবেই আমরা বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র হতে দেব না।”
এ বিভাগের আরো..
ঢাকা-ব্রাজিল সামগ্রিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
শেখ হাসিনা গাজা পুনর্দখলের ইসরাইলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন