নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে তারা রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন।সারাদেশে ৫০১ টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ১৫ হাজার এক্সট্রা মোহরার (নকলনবিশ) রয়েছে।বক্তারা বলেন, ‘আমরা জনগণের রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বালাম বহিতে লিপিবদ্ধ করে অ-বিনাসযোগ্য স্থায়ী রেকর্ড সৃষ্টি করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা অস্থায়ী।’বক্তারা বলেন, ‘আমরা বাড়ি ভাড়া চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা এই তিনটি মৌলিক অধিকারসহ সরকারি যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নারী এক্সট্রা মোহররা বিনা পারিশ্রমিকে মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করেন। এই পদটি সৃষ্টির পর থেকেই আমরা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে আসছি।’চাকরি জাতীয়করণ এবং জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতনের দেওয়ার দাবিতে মাথায় কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন নকলনবিশরা।
তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু এক্সট্রা মোহরারদের চাকরি স্থায়ী করতে সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে ১৯৭৩ সালে নির্দেশ দেন এবং আইন প্রণয়ন করেন। কিন্তু ১৯৭৫ পরবর্তী সরকার সে আইনটি বাস্তবায়ন করেনি।
বক্তারা বলেন, মোহরাদের চাকরি স্থায়ীকরণে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা এবং ১৯৮৪ সালে বায়তুল মোকাররম স্কোয়ারে আয়োজিত জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুগ্রহ সমর্থন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা এ কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।
এ বিভাগের আরো..
ঢাকা-ব্রাজিল সামগ্রিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
শেখ হাসিনা গাজা পুনর্দখলের ইসরাইলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন