November 6, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

নোটবদল না করতে পারলে বিয়ে হত না

ডেস্ক : বিয়ের দিন যেখানে বন্ধু-বান্ধবকে নিয়ে আনন্দ করবেন, সেখানে তাকে দাঁড়াতে হলো নোটবদলের লম্বা লাইনে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে।

বিয়ের ঠিক চার দিন আগে ২৪ বছরের শোয়েব শেখ হঠাৎ জানতে পারেন, বিয়ের খরচের জন্য তিনি যে ৫০০ ও ১০০০ রুপির নোট জমিয়েছেন সেগুলো আর চলবে না।

সেইদিন রাতে অর্থাৎ ৮ নভেম্বর আর কিছুই করার ছিল না আহমেদাবাদের রিকশা চালক শোয়েবের। তার পরের তিনদিনও কিছুতেই ব্যাঙ্ক থেকে নোটবদল করে উঠতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত তাই রবিবার, তার বিয়ের দিন সকালেই নোটবদলের লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হলো তাকে।

পরনে সাদা পোশাক, তাতে হলুদের ছোপ, শোয়েবকে দেখে দীর্ঘ লাইনের অনেকেই মুখ টিপে হাসলেও কেউ তার জন্য লাইন ছেড়ে দেননি। মোট চার ঘণ্টা রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে শোয়েবকে।

না দাঁড়িয়ে উপায়ও ছিল না কারণ নোটবদল করে ফিরে সেই টাকা দিয়েই ডেকরেটর ও ক্যাটারারের পেমেন্ট মেটাতে হবে তাকে। টাকা না পেলে ডেকোরেটর বিয়ের কোনও কাজে হাত দেবে না, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল।

বিকাল ৩টায় নোটবদল করে ব্যাঙ্ক থেকে বেরতে সমর্থ হন শোয়েব। বাড়ি ফিরে পেমেন্ট করলে তার পরে বিকাল ৪টায় শামিয়ানা খাটানো শুরু করে ডেকরেটর।

জানা গিয়েছে, শোয়েব যে ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন সেই ব্যাঙ্কটি শোয়েব টাকা তুলে বেরিয়ে আসার আধ ঘণ্টার মধ্যেই ঝাঁপ বন্ধ করে দেয়।

অর্থাৎ শোয়েব যদি লাইনে আরও একটু পিছনে দাঁড়াতেন, তবে হয়তো রবিবার তার বিয়েটাই হতো না!