ডেস্ক প্রতিবেদন : জয়পুরহাটে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ভাদসা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি মো. সোহেল (২৫) এবং তার সহযোগী ও হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি মনিরুজ্জামান মনির (২৫) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানার ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার কোচকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-সদর উপজেলার সাওয়ালপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ সোহেল ও কোচকুড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের পুত্র মনিরুজ্জামান মনির।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি হাসুয়া উদ্ধার করে।
নিহত সোহেল ইউপি চেয়ারম্যান এ কে আজাদের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিল। ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া অন্য আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে সোহেলের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় ৩টি সন্ত্রাসী মামলা রয়েছে।
জয়পুরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) অশোক কুমার পাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সোমবার রাতে নিহত ভাদসা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে আজাদের বাড়িতে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালাবে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপর সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করলে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে দুই সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
ঘটনাস্থলে থেকে গুলিসহ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার (৪ জুন) ভাদসা ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান একে আজাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে আহত করে একদল সন্ত্রাসী। আহত চেয়ারম্যান রবিবার (১২ জুন) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত