October 9, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

হত্যা, সংঘর্ষ, নির্যাতন এবং নৃশংস সব ঘটনা নিয়েই যুদ্ধের সিনেমা

ডেস্ক প্রতিবেদন : হত্যা, সংঘর্ষ, নির্যাতন এবং নৃশংস সব ঘটনা নিয়েই যুদ্ধের সিনেমা। যুদ্ধের গল্প নিয়ে সিনেমাগুলোতে ফুটিয়ে তোলা হয় এমন কিছু ঘটনা যার মধ্যে  সেই সময়টা কিছুটা হলেও ধারনা করা যায়। আবার  এ সিনেমাগুলোতে তুলে ধরা হয় বাস্তব জীবনের গল্প। যা আমাদের হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়। তেমন কিছু  হলিউডের যুদ্ধ সিনেমা ……..

day

ডেফিয়ান্স : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানরা যখন ইহুদি নিধন শুরু করে সেই সময়ের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমা ডেফিয়ান্স। সিনেমার গল্পে তিন ভাই তাদের মৃত বাবা-মায়ের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে। তারা পালিয়ে একটি জঙ্গলে আশ্রয় নেয় এবং সেখানে তাদের আরো মানুষের সঙ্গে দেখা হয়। তারা প্রত্যেকে একটি লক্ষ্যে তাদের কাজ করতে থাকে। ভিন্ন মতের হলেও একটি লক্ষ্য তাদের একত্রিত করে রাখে। সিনেমাটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেমস বন্ড খ্যাত তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগ।

engla

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনীর ইহুদি নিধন এবং এর বিপরীতে ‘বাস্টার্ড’ নামে একদল ইহুদি-আমেরিকান বাহিনির জার্মান নিধনের গল্প নিয়ে কুয়েন্টিন তারানতিনো পরিচালিত সিনেমা ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস। যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা হিসেবে মনে করা হয় এটিকে।

pia

দ্য পিয়ানিস্ট : এ সিনেমার গল্প দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাজি বাহিনীর পোল্যান্ড আক্রমনকে ঘিরে। এ সিনেমাটির মূল চরিত্রে রয়েছেন একজন পোলিশ মিউজিশিয়ান। এছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোল্যান্ডের সাধারণ জনগণকে কতটা দুঃখ দুর্দশার মধ্যে নিয়ে সময় পার করতে হয়েছে তা ফুটে উঠেছে সিনেমাটিতে।

Emi

দ্য ইমিটেশন গেম : বিখ্যাত গণিতবিদ অ্যালান টিউরিংয়ের জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমা দ্য ইমিটেশন গেম। সিনেমাটিতে অ্যালান টিউরিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বেনেডিক কাম্বারব্যাচ।

skl

স্কিন্ডলারস লিস্ট : স্টেভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত একটি অসাধারণ সিনেমা স্কিন্ডলারস লিস্ট। সিনেমাটিকে মনে করা হয় সবচেয়ে পুরনো এবং জনপ্রিয় যুদ্ধ বিষয়ক সিনেমা। সিনেমার গল্প অস্কার স্কিন্ডলার নামে একজন জার্মান ব্যবসায়ীকে নিয়ে। যে ইহুদিদের বাঁচানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের কাজে নিযুক্ত করেন। মুক্তির পর দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি সিনেমাটি জিতে নিয়েছে সাতটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড।

Sav
সেভিং প্রাইভেট রায়ান : স্টেভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত এ সিনেমার গল্পে দেখানো হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন মিত্র বাহিনী নরম্যান্ড আক্রমন করে তখন একই পরিবারের তিন ভাই মৃত্যুবরণ করে এবং অন্য একজন হারিয়ে যায়। ইউএস জেনারেল খবরটি পায় এবং তাদের মায়ের কাছে খবরটি পৌঁছানোর হাত থেকে বাঁচার জন্য চতুর্থ ছেলেটিকে খুঁজে বের করার নিদের্শ দেন।

Bri

দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কাওয়াই: এ সিনেমায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একদল ব্রিটিশ বন্দিকে জাপানিজ ক্যাম্পে ধরে আনা হয় এবং কাওয়াই নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণ করতে বলা হয়। যদিও সিনেমাটি আমেরিকানদের প্রতি পক্ষপাত করার জন্য সিনেমা বিশ্লেষকদের কাছে সমালোচিত হয়, তবে এর গল্প আপনাকে সিনেমাটিতে মনোনিবেশ করতে বাধ্য করবে।

ameদ্য আমেরিকান স্নাইপার : ক্লাইন্ট ইস্টউড পরিচালিত ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা দ্য আমেরিকান স্নাইপার। সিনেমার গল্পে দেখা যায়, ক্রিস কাইল একজন নেভি এবং পরবর্তীতে একজন স্নাইপারের দ্বায়িত্ব পান। এরপর তাকে পাঠানো হয় ২০০১ সালের যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাকে। সেখানে সে তার প্রতিপক্ষ অনেক সৈন্যকে মারতে সক্ষম হয় এবং তার বিরত্বের জন্য অনেক প্রশংসিতও হয়। কিন্তু যুদ্ধের ভয়াভয়তা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে ফেলে। সিনেমায় ক্রিস কাইলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ব্র্যাডলি কুপার।
Hat

দ্য হার্ট লকার : ইরাক যুদ্ধের প্রেক্ষপটে নির্মিত সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের তিনজন সদস্যের গল্প। যুদ্ধে তাদের অভিযানে তারা এমন কিছু পরিস্থিতির শিকার হন যেখানে তারা নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হন। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি সেরা সিনেমাসহ ছয়টি অ্যাকাডেমি পুরস্কার জিতে নিয়েছিল।

boy

দ্য বয় ইন দ্য স্ট্রাইপড পাজামাস : জার্মানদের ইহুদি হত্যাযজ্ঞ নিয়ে নির্মিত আরো একটি সিনেমা দ্য বয় ইন দ্য স্ট্রাইপড পাজামাস। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মার্ক হার্মেন পরিচালিত সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে দুই ছোট ছেলের বন্ধুত্বের গল্প। তাদের একজন নাজি কমান্ডারের ছেলে এবং অন্যজন হহুদি। মর্মস্পর্শী এ সিনেমাটি দেখার পর অনেকদিন আপনার হৃদয়ে গেঁথে থাকবে।