ডিএমপি থেকে জানানো হয়, প্রায় এক মাস পূর্বে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি জনৈক চেয়ারম্যান সাধন চন্দ্র দাস এর মোবাইল ফোনে ২০০ টাকা ফ্ল্যাক্সিলোড দেয়। পরবর্তীতে অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি ফোন করে সাধনকে বলে ভাই ভুলক্রমে আপনার মোবাইলে ২০০ টাকা চলে গেছে।
টাকাটা ফেরৎ দিলে আমার উপকার হবে। চেয়ারম্যান টাকা ফেরৎ দেয়। পরবর্তীতে পুনরায় ৩০০ টাকা পাঠিয়ে একই কায়দায় ফেরৎ নেয়। টাকা ফেরৎ নিয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি চেয়ারম্যানের প্রশংসা করে তার বিশ্বস্থতা অর্জন করে।
মোবাইলে কথাবার্তার মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে চেয়ারম্যন গত ৪ এপ্রিল ঢাকায় আসবেন বলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তার গাড়িযোগে চেয়ারম্যানকে ঢাকায় নিয়ে আসবে বলে জানায়।
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানা এলাকা হতে চেয়ারম্যনকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে ঢাকার বাড্ডা থানা এলাকায় নিয়ে আসে এবং ডিবি পরিচয় দিয়ে একটি বিল্ডিংয়ের ৫ম তলায় নিয়ে তাকে আটক করে।
তার নিকট থাকা নগদ ৮ হাজার টাকা নিয়ে নেয় এবং পরে চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে আরো দুই লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নেয় এবং আরো এক লক্ষ টাকা দেয়ার কথা বলে চেয়ারম্যান তাদের নিকট হতে মুক্তি পায়।
গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবত পুলিশের বেশভূষা ধারণ করে মিথ্যা ডিবি পরিচয় দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে সাধারণ মানুষকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংঙ্কার ইত্যাদি সুকৌশলে হাতিয়ে নেন।
ডিএমপির ডিসি (ডিবি, দক্ষিণ) কৃষ্ণ পদ রায়ের নির্দেশনায়, এডিসি মো. ছানোয়ার হোসেন পিপিএম-এর (বার) সার্বিক তত্ত্বাবধানে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদা আফরোজ লাকী অভিযান পরিচালনা করেন।

এ বিভাগের আরো..
রায়গঞ্জে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ৩ জনের জরিমানা
নওগাঁয় জাল ভোট দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক ২