জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালী : ২৫ জুলাই আন্তর্জাতিক পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস। ২০২০ সালের এপ্রিলের পানিতে ডুবে মৃত্যু ঠেকাতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করে জাতিসংঘ।
সেই থেকে বাংলাদেশের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পানিতে ডুবে মৃত্যুকে ‘নীরব মহামারি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রতি বছর ২৫ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
এদিকে পটুয়াখালীতে দিন দিন আশংকাজনক হারে বেড়েছে পানিতে ডুবে মৃত্যু সংখ্যা। গত তিন বছরের দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এ ধরনের মৃত্যু। সরকারি হিসেব মতে ২০২২ সালে প্রথম ছয়মাসে মারা গেছে ৪৬জন। এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলায়ই মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের।
২০২০ সালে ২৯জন এবং ২০২১ সালে মারা গেছে ৫৫জন। শিশুদের পাশাপাশি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পানিতে ডুবে মারা গেছেন প্রাপ্ত বয়স্ক পর্যটকরা। তবে স্থানীয়রা বলছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। সরকারি ভাবে হাসপাতালে মৃত্যু ছাড়া তথ্য সংগ্রহ করা হয়না, কিন্তু অনেক শিশু বাড়িতে মারা গেছে, তাদের হিসেব ধরা হয়না।
এবিষয়ে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা: এস এম কবির হাসান বলেন, এদিকে পারিবারিক ও সামাজিক অচেতনতা এবং অন্যদিকে সাতার না জানার কারণে এত সংখ্যক মানুষ পানিতে ডুবে মৃত্যু বরণ করেছেন।
তিনি বলেন, সকলকে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সাঁতার শেখানোর জন্য এলাকা ভিত্তিক উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন। পাশাপাশি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এগিয়ে আশার আহবান জানান সিভিল সার্জন।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত