October 12, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

রূপা হত্যার রায় ১২ ফেব্রুয়ারি

দুই পক্ষের যুক্তি-তর্ক শুনানি শেষে সোমবার টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া রায়ের এ দিন ঠিক করে দেন।

গত বছরের ২৫ অগাস্ট রাতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে মধুপুর উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় রূপার লাশ পাওয়া যায়।

ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজের ছাত্রী রূপা একটি প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায়। ওই দিন বগুড়ায় একটি পরীক্ষা দিয়ে বাসে কর্মস্থল ময়মনসিংহে যাওয়ার পথে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন তিনি।পরে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে মধুপুর থানা পুলিশ।

গত ১৫ অক্টোবর পাঁচ পরিবহন শ্রমিককে আসামি করে রূপা হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

টাঙ্গাইল আদালত পুলিশের পরির্দশক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। পরে অন্যান্য প্রক্রিয়া হয়।

“সোমবার এ মামলার যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর বিচারক ১২ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা দিন ঠিক করেন।”

রূপা যে বাসে আসছিলেন সেই ছোঁয়া পরিবহনের চালক, সুপারভাইজারসহ পাঁচজন গ্রেপ্তারের পর রূপাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

পাঁচ আসামিরা হলেন, ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর ও সুপারভাইজার সফর আলী এবং হেলপার শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর। এরা সবাই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।