October 11, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

‘স্পেক্ট্রাল উন্ড’ বীরঙ্গনাদের সাক্ষ্য গ্রহনে গাইডলাইন প্রণয়নে সহায়তা করবে

প্রথম কথা ডেস্ক : ১৯৭১ সালে এদেশের স্বাধীনতা যে বীরঙ্গনা নারীদের হাত ধরে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বাহিনীর হাতে তাদের দোষর অর্থাৎ এদেশীয় রাজাকার, আল-বদররা আমাদের মা বোনদের তুলে দেয়। যুদ্ধকালিন সময় নারী, শিশু নির্মম নির্যাতন,ধর্ষনের শিকার হয়েছিলেন। অনেক নারী দেশ মাতৃকার টানে যুদ্ধে অংশ নেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর এসব নারীদের দিয়েছেন বীরঙ্গনা খেতাব। নির্যাচিত নারীর পিতার নাম হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান লিখে দিতে বলেছিলেন। কিন্তু বীরাঙ্গনাদের নিয়ে আর্ন্তজাতিক এনজিও সম্মনয়ে র্দীঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছেন ড. নয়নিকা মুখার্জী। ড. নয়নিকা মুখার্জী রীডার-সোসিও কালচারাল এ্যানথ্রোপলজিস্ট, ডারহাম ইউনিভার্সিটি। তিনি েিসক্সুয়াল ভায়োলেন্স পাবলিক মেমোরিজ এন্ড বাংলাদেশ ওয়ার অফ লিবারেশন ১৯৭১। প্রকাশ করেছেন।

দ স্পেক্ট্রাল উন্ড গ্রন্থটিতে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের ১৯৭১-এর যুদ্ধে লক্ষাধিক ধর্ষিত নারীকে সরকার বীরাঙ্গনা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, যারা তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্য ও তাদের পূর্ব পাকিস্তানী দোসরদের দ্বারা ধর্ষিত হন। ‘স্পেক্ট্রাল উন্ড’ গ্রন্থটি যুদ্ধকালীন ধর্ষণের সাথে সম্পর্কিত নীরবতার ব্যাপারে জবাবদিহিতার উদ্দেশ্যে ১৯৭১-এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত যৌন সহিংসতার সংশ্লিষ্ট জনস্মৃতিসমূহকে সূত্রবদ্ধ করতে আগ্রহী। এই জনস্মৃতি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে বীরাঙ্গনার দেশের অভূতপূর্ব খ্যাতি এনে দিয়েছে । ১৯৭১-এর ধর্ষিত নারীদের নিয়ে ৪৫ বছরের প্রণীত সাহিত্য ও ভিজ্যুয়াল আর্কাইভ রয়েছে এবং ১৯৯০ অবধি দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বীরাঙ্গনাদের অধিকারভিত্তিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষ্য গ্রহনের ক্ষেত্রে কোন গাইডলাইন নেই। বইটিতে বীরাঙ্গনাদের নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে গবেষণা ধর্মী কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রন্থটি তুলে ধরা হয়েছে, জনস্মৃতি বীরাঙ্গনাদেরকে বীরের এই সম্মান দেখাচ্ছে, অথচ তারা জনচেতনায় অবস্থান করছেন যাকে তিনি বলেছেন বর্ণালী ক্ষত। বিভিন্ন প্রকাশনায় বীরাঙ্গনাদেরকে অমানবিকভাবে ও এলোমেলো চুলসহ দেখানো হয়, যা সম্প্রদায় দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৯৭-৯৮ ও পরবর্তীতে ২০১১-১৩ সময়কালে এক বছরব্যাপী মাঠকর্ম দ্বারা প্রণীত এই গ্রন্থে জাতিতাত্ত্বিকভাবে ছবি, সাহিত্যিক প্রকাশনা, যৌন সহিংসতার শিকার বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি ও তাদের পরিবারবর্গের সাক্ষাৎকার, বাম উদারপন্থী সিভিল সোসাইটি এবং রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যসমূহ পরীক্ষা করা হয়েছে।
এই গ্রন্থ শুধু নারী ও এ ধরনের পুরুষের অভিজ্ঞতা ফোকাস করেছে, নিরব বর্ণনা লক্ষ্য করার চেয়ে যুদ্ধ পরবর্তী পটভূমিতে যুদ্ধকালীন যৌন সহিংসতার জনস্মৃতি ও গোপনীয়তা পরীক্ষায় অধিক জোর দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর রাজনৈতিক, সাহিত্যিক ও ভিজ্যুয়াল প্রেক্ষাপটে এসব বর্ণনার স্থান নির্ণয় করেছে। বীরাঙ্গনা নির্ধারণের পরিব্যাপ্তি সুক্ষভাবে পরীক্ষা করতে যুদ্ধকালীন ধর্ষণের সাথে বিজড়িত স্টিগমা, নীরবতা, সম্মান, লজ্জা ও ক্ষতিপূরণের প্রভাবশালী বোধসমূহকে স্পষ্ট করেছে এবং যুদ্ধে যৌনতার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক অনুসন্ধানের সম্ভাবনা উন্মুক্ত করেছে।
গ্রন্থটির মুখবন্ধ ও সূচনায় সহিংসতা ও স্মৃতি সংশ্লিষ্ট তাত্ত্বিক ও পদ্ধতিগত সঙ্কট স্থান পেয়েছে। বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে ঐতিহাসিক পথ পরিক্রমার বিবরণ, সাক্ষ্য গ্রহণের তথ্যায়ন-প্রক্রিয়া, সম্প্রদায় কিভাবে ঘৃণাপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ধর্ষণের ইতিহাস নিয়ে কথা বলে এবং স্টিগমা, লজ্জা ও সম্মান সম্পর্কে পুণরায় চিন্তায় ফেলে দেয় তা অনুসন্ধান, রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ ও ন্যায্যতার জাতীয় ও স্থানীয় নীতিমালা সনাক্ত করা, পুণর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের জাতীয় কর্মসূচী অনুসন্ধান করা হয়েছে। এছাড়া ১৯৭১ সন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মানবাধিকার আইনসমূহ এবং সাহিত্যিক ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনাসমূহ কিভাবে ধর্ষিত নারীর সংখ্যা নিরূপণ করেছে এবং বীরাঙ্গনারা কিভাবে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছেন, তা তুলে ধরা হয়েছে। গ্রন্থটির উপসংহারে ২০০১ সাল থেকে এসব গতির পরিবর্তন বিশেষত শাহবাগ আন্দোলনের চুড়ান্ত প্রতিফলন সহ যুদ্ধকালীন ধর্ষণের চিত্রায়নের পরিবর্তন চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যুদ্ধকালীন ধর্ষণের সাক্ষ্যসমূহ কিভাবে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের অংশরূপে বিবেচিত হল, তা দেখানো হয়েছে। ঝঢ়বপঃৎধষ ডড়ঁহফ গ্রন্থটি প্রাত্যহিক জীবনে যুদ্ধকালীন যৌন সহিংসতার প্রভাব অনুসন্ধান করেছে। যুদ্ধকালীন ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে নারী ও পুরুষের সহাবস্থানের জটিল বোধ উপস্থাপিত হয়েছে। মাঠকর্মের শেষে যৌন সহিংসতার ওপর আমার এই গবেষণা সফলভাবে কাজে লাগিয়েছে দৃষ্টিপাত নামক কর্মী নেটওয়ার্ক, যেটি যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ জন নারীর ক্ষতিপূরণ ১৫,০০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছে। লেখক এই গ্রন্থ বিক্রি থেকে অর্জিত সম্মানী বাংলাদেশের বীরাঙ্গনাদের জন্য দান করছেন।
২০১৫ সালে ঞযব ঝঢ়বপঃৎধষ ডড়ঁহফ: ঝবীঁধষ ঠরড়ষবহপব, চঁনষরপ গবসড়ৎরবং ধহফ ঃযব ইধহমষধফবংয ডধৎ ড়ভ ১৯৭১ প্রকাশিত হয়। উক্ত গ্রন্থে একাত্তরে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিবর্গ, (ংঁৎারাড়ৎ), রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা, মানবাধিকার কর্মী, আর্কাইভ এবং ভিজ্যুয়াল ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন, এমন ব্যক্তিবর্গের সাক্ষ্য সন্নিবেশিত হয়। গ্রন্থের বৃহত্তর অংশ নির্যাতনের সাক্ষ্যসমূহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিবর্গের সাক্ষ্যগ্রহণে যুদ্ধকালীন ধর্ষণের দলিলসমূহকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। কিন্তু যুদ্ধকালীন ধর্ষণের সাক্ষ্যতে দেখা যায়। সাক্ষ্য গ্রহন করার ক্ষেত্রে কোনো গাইড লাইন না থাকায় পরিস্থিতির ওপর খুব কম নজর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এসব দলিলসমূহের নৈতিক চর্চার ক্ষেত্রে বিকৃত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। কেননা সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, সরকারী কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও গবেষকদের স্ব স্ব দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে মূল সাক্ষ্য বিকৃত হয়ে যেতে পারে। এই কারনে সাক্ষাৎদানকারীরা তাদের যুদ্ধকালীন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা প্রমাণে প্রতারিত হতে পারেন। আর এই কারনে াক্ষাৎদানকারীদের প্রত্যাশা ও বিচার লাভের প্রক্রিয়ার মধ্যে একটি বিরোধ সৃষ্টি হতে পাওে, গ্রন্থটিতে আশংকা করা হয়েছে।

গ্রন্থটিতে যুদ্ধকালীন নির্যাচিত নারীদের সংবেদনশীল ও নৈতিক বিষয়াদি মাথায় রেখে বর্তমান প্রস্তাবনাটি যুদ্ধকালীন ধর্ষণ তথ্য-ধারণকারীদেরকে নিয়ে একটি সচিত্র গাইডলাইন প্রস্তুত করা যায়। যা ভবিষ্যতে এই বিষয়ের গবেষক ও কর্মীরা ব্যবহার করবেন। এই গাইডলাইন ও সচিত্র গাইডের উৎস হিসেবে ঞযব ঝঢ়বপঃৎধষ ডড়ঁহফ গ্রন্থটি দৃষ্টান্ত হতে পারে। এখানে বর্ণিত বিভিন্ন কেস স্টাডি- যেমন বীরাঙ্গনা নামকরণ এবং যুদ্ধকালীন ধর্ষণ সংক্রান্ত জনস্মৃতি (নীরবতা নয়) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের, যুদ্ধকালীন যৌন নির্যাতনের নানা দিক তুলে ধরেছে, যা কিনা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এবং বাইরের জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করে।
ড. মুখার্জী ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য সরকারের ঋড়ৎবরমহ ধহফ ঈড়সসড়হবিধষঃয ঙভভরপবং ঊহফ ঝবীঁধষ ঠরড়ষবহপব রহ ঈড়হভষরপঃ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক এনজিও সমন্বয়ে গাইডলাইন প্রস্তুতকরণের কাজ করেছেন, যে কর্মশালাটি লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স-এ আয়োজিত হয়।

বীরাঙ্গনাদের সাক্ষ্যগ্রহণে বাংলাদেশে কোন গাইডলাইন বা টেম্পলেট অদ্যাবধি তৈরী হয়নি। তালিকাভুক্ত বীরাঙ্গনাদেরকে ভাতা প্রদান বাংলাদেশ সরকারের একটি সাহসী ও মহতী উদ্যোগ। আরও লক্ষ্ণীয় যে, এ পর্যন্ত বাংলাদেশ হচ্ছে এশিয়ার একমাত্র দেশ, যেটি যুদ্ধকালীন ধর্ষিত নারীদেরকে প্রথমে বীরাঙ্গনা খেতাব প্রদান করেছে ও পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি জানিয়েছে। এর জন্যই এখন বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় বীরাঙ্গনাদের সাক্ষ্য গ্রহণকারীদের জন্য (গবেষক, মানবাধিকার কর্মী, প্রামাণ্যচিত্রী, আলোকচিত্রীর জন্য) একটি নৈতিক গাইডলাইন তৈরী করতে পারলে এটি হবে এশিয়ার প্রথম দৃষ্টান্ত, যা প্রতিবেশী দেশসহ যুদ্ধবিধ্বস্ত অন্যান্য দেশ অনুকরণ করতে পারবে।
লেখকের জীবনী
নয়নিকা মুখার্জী ডারহাম ইউনিভার্সিটির নৃবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা পরিচালক ও রীডার। ২০১৪ সালের জুন মাসে তিনি দ্বন্দ্ব-সংঘাতে যৌন সহিংসতার অবসান শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত হন এবং ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে তিনি যুদ্ধকালে যৌন সহিংসতার ওপর নৃতাত্ত্বিক গবেষণাকর্মের জন্য লর্ডসভায় মহাত্ম গান্ধী প্রবাসী সম্মানে ভূষিত হন (প্রবাসী ভারতীয়দের জন্য)। সহিংসতা, নীতিশাস্ত্র ও নন্দনতত্ত্বেও ওপর তাঁর ব্যাপক প্রকাশনা রয়েছে। তাঁর গ্রন্থ ঞযব ঝঢ়বপঃৎধষ ডড়ঁহফ: ঝবীঁধষ ঠরড়ষবহপব, চঁনষরপ গবসড়ৎরবং ধহফ ঃযব ইধহমষধফবংয ডধৎ (২০১৫, ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস, বীণা দাসের মুখবন্ধ) বিবিসির সেরা দুই গ্রন্থের মধ্যে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যা শ্রেষ্ঠ জাতিতত্ত্ব পুরষ্কারের জন্য মনোনীত। তিনি যুদ্ধকালে যৌন সহিংসতার সাথে যুক্ত বিষয়াদি আলোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে আল জাজিরা থেকেও আমন্ত্রিত হন। তাঁর অন্যান্য প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে জার্নাল অফ রয়্যাল এ্যানথ্রোপলজিক্যাল ইনস্টিটিউট জেআরএএল ক্রিস্টোফার পিন্বির সাথে যৌথ সম্পাদনা ২০১১। দ্য এ্যাসথেটিকস অফ ন্যাশন জেএইচএস (জার্নাল অফ হিস্ট্রিক্যাল সোশিওলজি) ২০১৩ বিশেষ সংখ্যা, দ্য সেলফ ইন সাউথ এশিয়া, ২০১৫ জার্নাল অফ ম্যাটেরিয়াল কালচার বিশেষ সংখ্যা (এ্যাসথেটিকন, পলিটিকস, কলফ্লিক্ট) সহায়তায় লিভারহুম ফাউন্ডেশন (২০০৯-২০১১) এবং রকফেলার ফাউন্ডেশন, বেলাজিওতে এক মাসের একটি পান্ডিত্যপূর্ণ আবাসিক ফেলোশীপ লাভ। তিনি তাঁর আর্টস অফ রিকনসিলিয়েশন গ্রন্থ সম্পন্ন করছেন । ব্রিটিশ একাডেমী মিড-ক্যারিয়ার ফেলো (২০১৩-২০১৪) হিসেবে তিনি নতুন গবেষণার কাজে ব্যাপৃত।
তিনি ব্রিটেন ও কমনওয়েলথ (এএসএ)-র সোশাল এ্যানথ্রোপলজি এ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন এবং ২০১১-তে এএসএর এথিকস কোড হালনাগাদ করেন। তিনি ইএসআরসি ও এএইচআরসি রিভিউ কলেজের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইএসআরসি গ্রান্ট এ্যাসেসমেন্ট প্যানেল ও সদস্য। ড. নয়নিকা ২০১১ সালে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। এর আগে তিনি ল্যানকাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ছিলেন। তিনি কোলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বিএ (অনার্স) এবং নয়াদিল্লী জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ সম্পন্ন করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল এ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ থেকে পিএইচডি অর্জন করেন।