ডেস্ক: সিনিয়র আইনজীবী মো: সিরাজুল ইসলাম খান আর নেই । গত বুধবার ৯ আগস্ট ২০১৭ইং সন্ধ্যা ৭.৪৫ মিনিটে এপোলো হাসপাতালে মারা গেছেন । তিনি স্ত্রী ও অগণিত ভক্ত এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মোঃ সিরাজুল ইসলাম খান ১৯৬৫ ইং সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম.এ ও এলএল.বি ডিক্রী লাভ করেন। ১৯৬৬ ইং সালে ঢাকা জজ কোর্টে ১৯৭২ ইং সালে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন ব্যবসায় যোগদান করেন। তিনি ১৯৭৮ ইং সালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৮৭ ইং সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ ইং সালে পুনরায় দ্বিতীয় বারের জন্য ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৮৯ ইং সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন এবং উক্ত কাউন্সিলে ৩ নং ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ ইং সালেও পুনরায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন এবং পাবলিকেশনস্ কমিটি ও ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্র জীবনে জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম খান ১৯৫৬ ইং সাল থেকে ১৯৬৬ ইং সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ এর সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইকবাল হল শাখার সাধারণ সম্পাদক (১৯৬৩-১৯৬৬) ছিলেন। ১৯৬৬ ইং সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসুর) সদস্য নিবাচিত হন।
১৯৭০ ইং সালে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭২ ইং সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা হলে তিনি উহার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও তৎকালীন ঢাকা জেলার আহবায়ক মনোনীত হন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ কৃষক কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ ইং সালে পরবর্তীতে সামরিক শাসন ও সেনা ছাউনি থেকে উদ্ভুত রাজনীতি উৎখাতে বিপ্লবী কর্মকান্ডে শরীক থাকেন।
১৯৮৬ ইং সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও ১৫ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হয়ে জাতীয় সংসদ-১৭৭, মুন্সিগঞ্জ-২ আসন হতে নির্বাচিত হলেও মিডিয়াক্যুর মাধ্যমে তাহার বিজয় ছিনাইয়া নেওয়া হয়।
জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম খান একজন প্রবীন আইনজীবী হিসেবে সার্বক্ষনিক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো..
বিচারক-আইনজীবীদের কালো কোট-গাউন পরতে বাধ্যবাধকতা নেই।
ঝিনাইদহে কৃষক হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন ও ৩ জনের সশ্রম কারাদন্ড
হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত, রমজানে স্কুল খোলা