লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর শহরের চকবাজার ব্রীজের কাজের ধীরগতি থানা য় জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এ ঘটনায় দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজের মেয়াদ ২ দফা বাড়িয়ে নিয়েও ব্রীজ নির্মাণের কাজ শেষ করতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সুসম্পর্ক থাকায় ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে লক্ষ্মীপুর শহরের চকবাজার এলাকায় রহমত খালী খালের উপর ব্রীজটি নির্মাণের জন্য ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা দামে দরপত্র আহবান করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মাহবুব ব্রাদার্স ব্রীজটি নির্মাণের কাজ পায়। কিন্তু ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসের পরে কাজের সময়সীমা শেষ হয়। এর পরে দুইদফা কাজের সময় বাড়িয়ে নেয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি। নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় শহরের উত্তর তেমুহনী ও দক্ষিন তেমুহনী মুল ভুখন্ড থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এদিকে ব্রীজ নির্মাণ ধীর গতি থাকায় বাজারে ব্যবসায় মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে । পরে এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা পৌর মেয়র আবু তাহেরকে অবহিত করেন। পরে সরেজমিনে ব্রিজের নির্মাণ কাজ দেখতে গিয়ে দূর্ঘটনার শিকার হন পৌর মেয়র আবু তাহের।
লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাজারের ব্রিজটি দীর্ঘ দিন চলাচলের উপযোগী না করায় ব্যবসা বাণিজ্যে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে ব্রীজ নির্মাণের ধীর গতির জন্য তিনি ঠিকাদারকে দায়ী করে। তিনি বলেন, অচিরেই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ করে জনসাধারণ এবং যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত