October 14, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

‘‘অন্নপূর্ণা দাসের চরিত্রে কী অপূর্ব অভিনয় জয়ার“

ডেস্ক:  দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বেশ কিছু দিন যাবত আলোচনায় রয়েছেন তার প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসার শহর’ নিয়ে। ভারতের তাবড় তাবড় নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী এমনকি সঙ্গীতজ্ঞরাও ছবিতে জয়ার অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো বলিউডের খ্যাতিমান এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের নাম।
জয়া আহসান সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করেন। আর ছবিটির হিন্দি সংস্করণে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যা বালান বাংলা ছবিটি খুঁটিয়ে দেখেন আগাগোড়া।
আর তখনই মুগ্ধ হয়েছিলেন বাংলাদেশের এ অভিনেত্রীর অভিনয় দেখে। আর এবার জয়ার নতুন স্বল্পদৈর্ঘ্য ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী পরিচালিত ‘ভালোবাসার শহর’ দেখে রীতিমতো আপ্লুত।
তার ভাষ্যটা এমন, ‘‘জয়ার অভিনয় আমি দেখেছি ‘রাজকাহিনী’তে। ওর মতো শক্তিশালী অভিনেত্রী খুব কমই দেখেছি। জয়ার জন্যে আমার পক্ষ থেকে অনেক হাততালি পাওনা রইল।’’
পশ্চিমবঙ্গের একটি পত্রিকায় বিদ্যা বিস্তারিত বলেছেন। ছবি সম্পর্কে বিদ্যার বক্তব্যটা এমন, ‘‘ভালবাসার শহর’ দেখার ইচ্ছেটা বাংলা ভাষার জন্যে ভালবাসা থেকেই। ছবিটি দেখার পর কিছুক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। চুপ করে বসেছিলাম। ভেতরে ভেতরে চলছিল একটা তীব্র অস্থিরতা। এ কোন পৃথিবীর দৃশ্য দেখলাম আমি! যুদ্ধবিধ্বস্ত হোমস শহরের ছবি আমাকে ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। আমরা এখনও কতখানি অজ্ঞতা, কত দুর্বল স্মৃতি নিয়ে বসবাস করি এই পৃথিবীর বুকে। ভাবি, নিজেরা সেফ থাকলেই যথেষ্ট!’
ছবিতে জয়ার অভিনয় সম্পর্কে তার মন্তব্য, ‘‘অন্নপূর্ণা দাসের চরিত্রে কী অপূর্ব অভিনয় করেছে জয়া আহসান! একটি সাধারণ মেয়ে, যে মুসলিম ছেলের ওপর ভরসা করে ঘর ছেড়েছিল, শহর ছেড়ে বহু দূর দেশ সিরিয়ার হোমস শহরে চলে গিয়েছিল। সেই দুঃসাহসী মেয়ের জীবনে নেমে এল অন্ধকার। যুদ্ধের সময়ে নিরুদ্দিষ্ট স্বামী, কোমাচ্ছন্ন ছোট্ট মেয়ে, বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে এক নারীর কী অসমসাহসী লড়াই দেখাল ‘ভালবাসার শহর’, বলে বোঝানোর ক্ষমতা নেই আমার! কী অভিনয় করে দেখালে জয়া!’’