ডেস্ক : শুক্রবার রীতিমতো গুঞ্জনের বারুদে পুড়েছে ইউরোপের গণমাধ্যম! কর ফাঁকির অভিযোগ শুনে বিক্ষুব্ধ রোনালদো নাকি হুমকি দিয়েছেন স্পেন থেকেই চলে যাওয়ার। কাছের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আগামীতে প্যারিস, ম্যানচেস্টার, মোনাকো অন্য কোনো শহরের ক্লাবে খেলতে পারেন কিন্তু স্পেনে আর নয়।
কনফেডারেশনস কাপ খেলতে রাশিয়াতে আসা রোনালদোর এই সিদ্ধান্তে ঘুম হারাম রিয়ালের কর্মকর্তাদের, দ্রুত বিবৃতি জানিয়ে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হয়েছে। তবে এসব জাতীয় দলের হয়ে খেলায় রোনালদোর পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব ফেলবে না; এমনটাই বলে গেলেন আন্দ্রে সিলভা, রোনালদোর পর্তুগাল সতীর্থ। এসি মিলানে খেলা এই স্ট্রাইকার সাফ সাফ বলে গেলেন, ‘সে টুর্নামেন্টটাকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে এবং খেলা নিয়ে খুবই একাগ্র। আমার মতো সেও অনেক উদ্দীপ্ত। সে এখন জাতীয় দলে খেলাটাই মনোযোগের সঙ্গে নিচ্ছে, ভালোভাবে একটা টুর্নামেন্ট জিতে সে নিজেকে আরো উদ্দীপ্ত করতে চায়। ’
মাঠের বাইরের বিষয়গুলো যে সাইডলাইন অতিক্রম করে মাঠে ঢুকলেই রোনালদো ভুলে যান, এ কথা তো ফুটবলপ্রেমীদের অজানা নয়। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে লাটভিয়ার সঙ্গেও জোড়া গোল করে রাশিয়ায় এসেছেন রোনালদো। রিয়ালে যদি গোল করাটাই তাঁর প্রধান কাজ হয়, জাতীয় দলে তার সঙ্গে যোগ হয়েছে নেতৃত্বের দায়িত্বও। সব মিলিয়ে আরো উজ্জীবিত, আরো অনুপ্রাণিত রোনালদো নিশ্চয়ই পর্তুগালে প্রথম কনফেডারেশনস কাপ অংশগ্রহণটাকে ভুলে যাওয়ার মতো এক আসর বানিয়ে রাখতে চাইবেন না!
পর্তুগিজ লিগে খেলার সুবাদে মেক্সিকোর রাউল হিমেনেস, মিগেল লাইয়ুন ও হেক্তর এরেরার ভালো জানাশোনা আছে পর্তুগিজ ফুটবলারদের নিয়ে। হাভিয়ের হার্নান্দেস একটা সময় রিয়ালে ছিলেন রোনালদোর সতীর্থ, বার্সেলোনা ও ভিয়ারিয়ালে খেলার সুবাদে জোনাথন দস সান্তোসেরও অভিজ্ঞতা আছে রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার। পর্তুগালের কোচ ফের্নান্দো সান্তোস খুব সম্ভবত ইউরোজয়ী দলে ও কৌশলে খুব একটা পরিবর্তন আনবেন না। শুধু ইউরোর পর মোটা টাকায় বায়ার্ন মিউনিখে গিয়ে অলস সময় পার করা রেনাতো সানচেসকে মাঝমাঠে না রাখার সম্ভাবনাই বেশি। বরং বার্সেলোনায় অনেক বেশি ম্যাচ খেলা আন্দ্রে গোমেসই হবেন সান্তোসের পছন্দ। আর আক্রমণে রোনালদো ও নানির সঙ্গে ইউরোতে ছিলেন জোয়াগ মারিয়া, এখন আন্দ্রে সিলভা। বাছাই পর্বের সবশেষ ম্যাচে, লাটভিয়ার বিপক্ষে গোল করেছেন সিলভা, তাই একাদশে তাঁর থাকারই জোরালো সম্ভাবনা।
কাল মুখোমুখি হচ্ছে ক্যামেরুন-চিলিও। আফ্রিকার দলগুলোর দক্ষতায় পিছিয়ে থাকার দিন ফুরিয়ে আসছে। স্কোয়াডের ২৩ জনের ২১ জনই খেলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের লিগে, কোচ হুগো ব্রুস বেলজিয়ামের। তাদের শক্তি ও শারীরিক সামর্থ্যের সঙ্গেই লাতিন সৃষ্টিশীলতার লড়াইটাই দেখা যাবে মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে। আফ্রিকার অদম্য সিংহদের সামনে লাতিন চ্যাম্পিয়ন চিলি, যারা কোপা আমেরিকার টানা দুই আসরে ফাইনালে হারিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। ফিফা, এএফপি

এ বিভাগের আরো..
ঝিনাইদহে ফুটবল খেলার মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
বিশ্ব ফুটবলে ২০২৩ সালের শীর্ষ ১০ ঘটনা
অস্ট্রেলিয়া হেডের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ