ডেস্ক: আগাম টিকেট নিতে যথারীতি বুধবার দুপুর থেকেই কমলাপুরে আসতে শুরু করেন টিকেটপ্রত্যাশীরা। স্টেশনের প্লাটফর্মে রাতভর মশার কামড় খেয়েও কাঙ্ক্ষিত টিকে পাননি অনেকে। যারা লাইনের শুরুর দিকে ছিলেন, তারা পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিক্রি শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে শেষ হয়ে যায় সবগুলো ট্রেনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচের টিকেট। লাইনের প্রথমদিকে থাকলেও দিনাজপুর যাওয়ার যাওয়ার এসি টিকেট পাননি ব্যবসায়ী আল আমিন। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পর টিকেট পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন অনেকে।
স্বস্তিতে বাড়ি যাবেন বলেই রাতভর মশার কামড় খেয়েও কমলাপুর স্টেশনে ছিলেন টেলিটকের কর্মী রেজাউল করিম। জামালপুরের অগ্নিবীণা ট্রেনের চারটি টিকেট পেয়েছেন তিনি।
“ঈদের আগে বাসে উত্তরবঙ্গের যাত্রা বিভীষিকাময়। কারণ সড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজট লেগে থাকে। বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে গেলেও অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এ কারণে ট্রেনেই যাই। টিকেটের এই কষ্টটুকু সবাইকে নিয়ে জ্যামে বসে থাকার তুলনায় কিছুই না।”
কিছু ট্রেনের টিকেট শুরুতে শেষ হলেও কেউ ফেরত যায়নি বলে দাবি করলেন কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্ত্তী।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত