,ফরিদপুর প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার, পলীø উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেছেন, অনতিবিলম্বে বিভাগ হচ্ছে ফরিদপুর। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (৬ মে) বিকেলে ফরিদপুর শহরের জনতা ব্যাংকের মোড়ে এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।‘আমরা ফরিদপুর বিভাগ করবো’-মন্তব্য করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, অবিলম্বে ফরিদপুর বিভাগ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ করা হবে। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘পদ্মা’ নামে হবে ফরিদপুর বিভাগ।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বিভাগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফরিদপুর পৌরসভা সিটি কর্পোরেশন করা হচ্ছে। এর জন্য পৌরসভার বর্তমান আয়তন বাড়িয়ে চারগুন করা হয়েছে। আগামী সোমবার দুপুরে নিকারের সভা আহ্বান করা হয়েছে। ওই সভায় এ প্রস্তাব পাশ করা হলে দ্রুত গেজেট হবে এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে ফরিদপুর সিটি কর্পোরশেনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। খন্দকার মোশাররফ বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে জয় লাভ করার মধ্যে দিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের জয়যাত্রা শুরু করতে চাই। এর পর ইউনিয়র পরিষদের নির্বাচন, তারপর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং সবশেষে ২০১৮ সালের শেষের দিকে কিংবা ২০১৯ সালের প্রথম মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আজ থেকে আমি নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে সর্বত্র নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিগত সরকারসমূহ এবং বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে দেখার জন্য আহ্বান জানান মন্ত্রী।সড়ক পরিবহন আইন ২০১৭ এর সংশোধনের জন্য শ্রমিকদের দাবি প্রসঙ্গে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ওই আইনে শাস্তির বিধান নিয়ে শ্রমিকরা আপত্তি জানিয়েছে। শাস্তির বিধান থাকলে শাস্তি ভোগ করতে হবে । ‘কঠোর আইনের ব্যবস্থা থাকলে আমাদের শিশুরা, আমাদের নারীরা নির্বিঘেœ যাতায়ত করতে পারবে’-মন্তব্য করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আইন করাই যাবে না, এটা নির্যাতনমূলক কথা। তবে যে সব ধারা নিয়ে আপত্তি রয়েছে সে সব ধারা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। আইন কঠোর না হলে শৃংখলা থাকে না।জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আক্কাস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগেনর সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, সামচুল আলম, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবলে সালাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শওকত আলী জাহিদ , জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফোয়াদ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মো. শামীম, জেলা মটোর ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি জুবায়ের জাকির প্রমুখ।
প্রসঙ্গত মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে এ শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করে জেলা শ্রমিক লীগ। পরে এক সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ বিভাগের আরো..
রাফায় হামলা হলে ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ হবে
ইসরায়েল আল-শিফা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে: হামাস
শ্রমিক ও গণপ্রবাসীদের সম্মাননায় আল-হারামাইন এর ইফতার মাহফিল।