October 11, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

নড়াইলের ভলিবল খেলোয়াড়দের অবদান অনস্বীকার্য্য হলেও মুল্যায়ন পায়নি খেলোয়াড়রা

নড়াইল প্রতিনিধি : বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নড়াইলের অবদান যুগ যুগ ধরে। ক্রিকেট ভলিবল,ফুটবল,টেবিলটেনিস সহ সব খেলাতেই নড়াইলের খেলোয়াড়দের অবদান অনস্বীকার্য্য। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দলে নিয়মিত খেলছেন নড়াইলের হরোশিত বিশ্বাস,মোঃ সোহেল রানা লিংকন, আতিকুর ইসলাম,এবং ২০০৬-২০০৮ সালে অধিনায়ক হিসাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন রমেশ কুমার বিশ্বাস। এ ছাড়া ও নবীন কুমার ঘোষ বাংলাদেশ জেল ভলিবল দলে,তছলু সেনাবাহিনীতে খেলে চলেছেন। নড়াইল প্রতিনিধির রিপোটে, খেলোয়াড়দের সূত্রে জানা যায়, এত কৃতিত্বের পর ও নড়াইলের ভলিবল খেলোয়াড়দের কোন মুল্যায়ন করা হয়নি বলে মনে করেন ক্রীড়া প্রেমীরা। কোন মাসিক সেলারী দেওয়া হয়না জাতীয় ভলিবল দলের খেলোয়াড়দের। নড়াইল জেলা শহরে দেয়া হয়নি কোন ধরনের সম্বর্ধনা। নড়াইলের ক্রীড়া প্রেমী সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় কাজী নওশের আলী দিপু বলেন, বাংলাদেশ ভলিবলে মাঠ কাপাচ্ছেন যারা তাদের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের বাড়ি নড়াইলে! এটা যেমন আনন্দের তেমনী দুঃখের বিষয় হচ্ছে যে,এই সব কৃতিত্বের কোন মূল্যায়ন করা হয়নি। নড়াইল জেলায় অদ্যবদি কোন সম্বর্ধনা দেওয়া হয়নি নড়াইলের এইসব খেলোয়াড়দের। নড়াইল সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, ক্রিকেটে মাশরাফিকে সম্বর্ধনা দেয়া হলেও ভলিবলে কোন জাতীয় দলের খেলোয়াড়কে সম্মানিত করা হয়নি। জাতীয় ভলিবল দলের সাবেক অধিনায়ক নড়াইলের কামাল প্রতাপের রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস আমাদের নড়াইল প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, কে জানান,১৯৮৮ সাল থেকে ভলিবল খেলা শুরু করে বিভিন্ন ক্লাবে খেলে জাতীয় দলে খেলেছি। ২০০৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জাতীয় ভলিবল দলের অধিনায়ক হিসাবে নেতৃত্ব দিয়েছি। ২০১৩ সালে থাইল্যান্ড থেকে ১৪ দিনের লেভেল ওয়ান কোর্স করেছি,বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কর্মরত আছি।নড়াইলের লক্ষিপাশার হরোশিত বিশ্বাস বলেন,নড়াইলের যুব ভলিবল দলের থেকে খেলা শরু করে, জাতীয় পর্যায়ে আজাদ ভলিবল দলে খেলে বর্তমানে জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক এবং পিডিবি ভলিবল দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হিসাবে খেলছি। গত ২২-২৭ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সিনিয়র মেন্স এশিয়ান সেন্ট্রাল জোন ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০১৬ এর ফাইনাল খেলায় সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলাম। নড়াইলের মিঠাপুরের মোঃ সোহেল রানা লিংকন বলেন, ২০১০ সাল থেকে জাতীয় ভলিবল দল ও তিতাস ক্লাবে ২০০৮ সাল থেকে ধারাবাহিক ভাবে খেলছি। ২০১৬ সালে তিরকিস্থানে ওয়াল্ডকাপের বাছাইয়ে খেলে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছি। এ বছর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে সম্বর্ধনা ও সম্মানীর ১ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। এটা যেন ধারাবাহিক ভাবে চলে আমরা সেইটা চাই। নড়াইলের সাবেক খেলোয়াড় মিলন ঘোষ বলেন, ভলিবলে খেলোয়াড়দের সম্বর্ধনা না দেওয়া হলেও নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ তাঁর কার্যালয়ের সামনের মাঠে ভলিবল দলের অনুশিলন করার সুযোগ করে দিয়েছেন এটা অনেক বড় পাওয় নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকুর কাছে জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড়দের কেন মাসিক সেলারী দেওয়া হয়না জানতে চাইলে বলেন, যারা জাতীয় ভলিবল দলে খেলেন,তারাই কোননা কোন ক্লাবে খেলোয়াড় হিসাবে চাকুরী করেন,যেমন তিতাস গ্যাস,বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,সেনা বাহিনী বিজিবি,পিডিবিসহ বিভিন্ন দলে। তাই নিয়মিত মাসিক সেলারী দেওয়া হয়না। তিনি আরো বলেন, নড়াইলে বিভিন্ন ক্রীড়াঙ্গনে অবদানের জন্য নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে ৭০জন খেলোয়াড়কে সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়,■ ছবি সংযুক্ত