October 11, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

বইমেলায় নাদীম কাদিরের ‘মুক্তিযুদ্ধ : অজানা অধ্যায়’

ডেস্ক:  অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এসেছে সাংবাদিক ও লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টা, প্রজন্ম ’৭১ সহ-সভাপতি এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্ণেল ম. আবদুল কাদিরের সন্তান নাদীম কাদিরের বই ‘মুক্তিযুদ্ধ: অজানা অধ্যায়’।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই তাঁর বাবা লে. কর্নেল মুহম্মদ আব্দুল কাদিরকে চট্টগ্রামের বাসা থেকে ধরে নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী হত্যা করে। সেই শহীদ বাবার স্মৃতিকে নিয়ে নাদীম কাদিরের মুক্তিযুদ্ধ: অজানা অধ্যায় গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে জাগৃতি প্রকাশনী। এটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার ৪৫৮-৪৬০ নম্বর স্টলে।

বইটি সম্পর্কে লেখক বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ : অজানা অধ্যায়” আমার অনেক দিনের সাধনার ফল। মুক্তিযুদ্ধ বা বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে বসলেই চোখ অশ্র“সজল হয়ে ওঠে, কণ্ঠ হয় বাষ্পরুদ্ধ এবং হাত চলতে চায় না। তারপরও বন্ধু-বান্ধব, শুভানুধ্যায়ী ও গুণিজনদের প্রেরণায় এই বই প্রকাশ পাচ্ছে।এটি কোনো আত্মজীবনী না। মুক্তিযুদ্ধ ও বাবাকে নিয়ে যে ঘটনাগুলো জানা যায়, সেটুকুই সন্নিবেশিত হয়েছে এই বইতে। ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া, বাদ দেয়া বা গোপন রাখার চেষ্টা করিনি। সব ঘটনাই নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তুলে ধরার চেষ্টা বইটিতে আছে। বহুদিনের পুরোনো স্মৃতি থেকে লেখা বলে ছোট-খাটো কিছু বাদ পড়তে পারে।”

”প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার জীবনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সময় আমার পাশে ছিলেন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আমার আম্মা হাসনা হেনা কাদির যখন মারা যান তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে সমবেদনা জানিয়ে আমার দুঃসময়টা অতিক্রম করতে সাহস যুগিয়েছিলেন। এরপর তাঁর কাছে আমি আমার বাবা শহীদ লে. কর্নেল মুহাম্মদ আব্দুল কাদিরের কবরটি সংরক্ষণ করার অনুরোধ জানাই। মহানুভব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাবার দেহাবশেষ চট্টগ্রাম থেকে কাদিরাবাদ সেনানিবাসে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের ব্যবস্থা করে দেন। এ ঋণ আমি কোনো দিন শোধ করতে পারবো না”।

পাঠক মুক্তিযুদ্ধা বাবাকে নিয়ে একজন সন্তানের কথা পাবেন বইতে। একজন বীরসেনানীকে নিয়ে সময়ের বুকে সার্থক সন্তানের কথা। অনুসন্ধানী পাঠকের আত্মার খোরাক জোগাবে কর্নেল কাদির ও তাঁর সহকর্মী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (তৎকালীন মেজর) জিয়াউর রহমানের সাথে ঘটে যাওয়া ঐতিহাসিক বেশকিছু সত্য।