ডেস্ক : ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে একদিনেই চারটি তুষার ধসের ঘটনায় ১১ সেনা জওয়ান ও চার নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি তুষার ধসের ঘটনা ঘটেছে উপত্যকার উচ্চতর এলাকা গুজের সেক্টরে, বাকি তুষার ধসটি হয়েছে সোনমার্গে।
তুষার ধসে নিহত সকলেরই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও গুজের সেক্টরে এখনো বেশ কয়েকজন সেনার নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ সেনাদের উদ্ধারে জোরদার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে ঠাণ্ডা হাওয়া ও ভারী তুষারপাতের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে।
উপত্যকায় প্রথম তুষার ধসের ঘটনাটি ঘটে বুধবার সকালের দিকে গুরজ সেক্টরে। এই ঘটনায় একই পরিবারের চার জনের মৃত্যু হয়। দ্বিতীয় তুষার ধসটি হয় ওইদিন সকালে সোনমার্গ এলাকায়। এখানে একটি সেনাঘাঁটিতে তুষার ধসের ফলে সেনার এক মেজরের মৃত্যু হয়, পরে জীবিত উদ্ধার করা হয় সাত জওয়ানকে।
এরপর ওইদিন বিকালেই গুরেজ সেক্টরে পরপর দুইটি তুষার ধসের ঘটনা ঘটে। একটি ধস আছড়ে পড়ে সেনা ছাউনিতে, অন্যটি আছড়ে পড়ে টহলরত সেনাবাহিনীর ওপর। ঘটনাস্থলেই তুষারের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয় ১০ সেনা জওয়ান। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জওয়ানের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনো ঠিক কতজন সেনা জওয়ান তুষারের নিচে চাপা পড়েছে তা জানা যায়নি।
সেনার উধমপুর অঞ্চলের মুখপাত্র জানান, ‘গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি গুরেজ সেক্টরের দুইটি পৃথক জায়গায় সেনা ঘাঁটি ও টহলরত সেনার ওপর আছড়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত ১০টি লাশ উদ্ধার করা গেছে। খারাপ আবহাওয়া ও ভারী তুষারপাতের মধ্যেই আমাদের সেনারা কাজ করছেন। তুষারধসের ঘটনার পরই উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।’
উল্লেখ্য, সোমবার থেকেই প্রবল তুষারপাত শুরু হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর, কুপওয়ারা, বান্দিপোরা, অনন্তনাগ, বারামুলা, গান্ডেরবল, কুলগাঁম, পুঞ্চ, রাজৌরি, রেসাই, ডোডা এবং কিস্তওয়ার জেলার অধিকাংশ জায়গায়। পরদিন মঙ্গলবার থেকে আরো তীব্র হয় তুষারপাত।
এর আগে, গত বছর সিয়াচেনে ভারতীয় সেনা ছাউনিতে তুষার ধসে অন্তত ১০ সেনার মৃত্যু হয়েছিল।

এ বিভাগের আরো..
রাফায় হামলা হলে ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ হবে
ইসরায়েল আল-শিফা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে: হামাস
শ্রমিক ও গণপ্রবাসীদের সম্মাননায় আল-হারামাইন এর ইফতার মাহফিল।