ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্মব্যস্ত জীবনের অবসর সময়ের সবটাই দখল করে নিয়েছে। তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করছেন। ব্যবহারকারী বিবেচনায় বর্তমানে শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। ফেসবুকের ভালো-মন্দ নিয়ে এতদিন নানা আলোচনা-বিশ্লেষণ হয়েছে। একটি গবেষণা দল ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন বার্তা দিল।
পিএনএএস নামের এক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ফেসবুকেই লুকিয়ে রয়েছে জীবনের নির্যাস। বেশি মাত্রায় ফেসবুক ব্যবহার করলে বাড়বে আয়ু। তবে এখানে আরেকটা শর্তও আছে। শর্তটা হল কেবলমাত্র ভার্চুয়াল পরিসরে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করলেই চলবে না; বাস্তবেও বজায় রাখতে হবে সামাজিকতার চর্চা।
এ ব্যাপারে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া সান ডিয়েগোর গবেষক উইলিয়াম হবস জানিয়েছেন, ফেসবুক এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে সামাজিকতা বজায় রাখা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এতে শরীর এবং মন দুইই ভাল থাকে। কিন্তু গোটা বিষয়টি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মধ্যে আটকে রাখলে হবে না। বাস্তবেও সামাজিক করতে হবে। তবেই মিলবে উপকার।
দীর্ঘ ‘ছ’মাস ধরে ওই সমীক্ষা চালানোর পর এই তথ্য উঠে আসে। এতে দেখা যায়, যারা ফেসবুকে দৈনন্দিন সময় কাটান তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি। বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা কিংবা ফেসবুকে মনের কথা লেখা, এই প্রতিটি বিষয়ই মন হালকা করতে বেশ সাহায্য করে। পাশাপাশি, বন্ধুতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। আর তাই জীবনকে সতেজ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো। – সংগ্রহ ।

এ বিভাগের আরো..
জেলে বসেই ভিওআইপি’র ব্যবসা থেকে টাকা লুটছেন সালমান এফ রহমান
জুম কলে মানব মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা থাকে না: গবেষণা
বাংলাদেশে সুইস বিনিয়োগ চেয়েছেন: প্রধানমন্ত্রী