শুরুতে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন তাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়েছেন এবং তাকে (ট্রাম্প) অভিনন্দন জানিয়েছেন। হিলারি ও তার পরিবারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনিও।
জয়সূচক বক্তৃতায় সেই আগ্রাসী ট্রাম্পকে দেখালো অনেকটাই সংযত। মা-বাবা, স্ত্রীসহ পরিবারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘মানুষ বলছে, এটা ঐতিহাসিক জয়।’
হাততালি আর উল্লাসে ফেটে পড়ল গোটা হল। প্রথমেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিনটনের প্রসঙ্গ তুললেন। জানালেন, ‘এই মাত্র হিলারি ক্লিন্টনের ফোন পেলাম। জয়ের শুভেচ্ছা জানালেন। উনি খুব শক্ত লড়াই লড়েছেন।’
ট্রাম্পকে যারা ‘যুদ্ধবাজ’ বলে সমালোচনা করেছিলেন, তাদের প্রতি ট্রাম্পের বার্তা, ‘যুদ্ধ নয়, আমি শান্তির পক্ষে। বিশ্বের সব দেশকে নিয়ে এগোব।’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ করে ট্রাম্প বললেন, ‘আমেরিকাকে নতুন দিশা দেওয়ার সময় এসেছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। প্রত্যেক মার্কিন নাগরিকের স্বপ্ন পূরণ হবে।’ মার্কিন নাগরিকদের প্রতি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘গোটা দেশকে এক সুতোয় গাঁথতে হবে। আপনাদের সহযোগিতা চাই। বিশ্বের সেরা রাষ্ট্রের খেতাব পুনরুদ্ধার করবই। আসুন বৃহৎ ও সাহসী স্বপ্ন দেখি। যারা আমায় ভোট দেননি, তাদেরও বলছি, আসুন নতুন রাষ্ট্র গড়ি।’
নবনির্বাচত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এজন্য এসেছি যেন আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই আমেরিকাকে মহান করার জন্য কাজ করব।’

এ বিভাগের আরো..
রাফায় হামলা হলে ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ হবে
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
ইসরায়েল আল-শিফা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে: হামাস