নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের মরদেহ রবিবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান দেশের এই গুণীজনকে। শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্বাস্থমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ স ম আরিফিন সিদ্দিকী’সহ অনেকে।
স্বাস্থমন্ত্রী নাসিম বলেন, ‘বাংলাদেশের গর্ব ডা. এম আর খান। তিনি এ দেশের চিকিৎসা পেশার আদর্শ। আমাদের সবার প্রিয় মানুষ। জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে ব্যক্তিগতভাবে খুবই পছন্দ করতেন। তার মৃত্যু আমাদের জন্য বেদনার।’
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘ডা. এম আর খান যে আদর্শ রেখে গেছেন সেই আদর্শ নিয়ে নতুন প্রজন্ম এগিয়ে যাবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

উপাচার্য আরিফিন সিদ্দিকী বলেন, ‘বাংলাদেশের চিকিৎসা শাস্ত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন এম আর খান। চিকিৎসা পেশা একটি মানবিক সেবা। এটি তিনি কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন।’
এম আর খানের মেয়ে মানতি করিম বলেন, ‘বাবা তার কাজের মধ্য দিয়ে তার আদর্শ রেখে গেছেন। মানুষকে ভালোবেসেছেন। মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন। বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’
বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে এম আর খানের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলা একাডেমি, বাংলা জার্মান সম্পৃতি, স্বাস্থ অধিদফতর, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক, বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন, বয়স্বী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে নিজের প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন খ্যাতনামা এই শিশু বিশেষজ্ঞ। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তার স্ত্রী মিসেস আনোয়ারা খাতুন আগেই মারা যান। একমাত্র মেয়ে মানতি করিম কানাডা প্রবাসী।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত