এদিকে প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকরে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। এমনটাই জানিয়েছেন আইনজীবীরা। এখন কারা কর্তৃপক্ষ যে কোনও সময় তার ফাঁসি কার্যকর করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি মোখলেসুর রহমান বাদল।
তিনি বলেন, ‘ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনও আইনগত বাধা নেই। জেল কোড অনুযায়ী যে কোনও সময় তার ফাঁসি কার্যকর করা যাবে। হয়তো কারা কর্তৃপক্ষ সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি মীর কাসেমের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি চাইতেও পারেন, নাও চাইতে পারেন। এখানে কারা কর্তৃপক্ষ এবং তার সঙ্গেই কথা হয় কেবল। যেহেতু তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা না চাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অতএব ফাঁসি কার্যকরে আর কোনও বাধা নেই।’
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের (পার্ট-২) তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, মীর কাসেম আলী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না বলে আমাদের জানিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে জেল কর্তৃপক্ষ মীর কাসেম আলীর কাছে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রাণভিক্ষার আবেদন না করার সিদ্ধান্তের কথা জানান।
কেন্দ্রীয় কারাগার-২ সূত্র জানায়, ফাঁসি কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার। প্রস্তুতিও নেয়া আছে। কারাগারের আশেপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
মীর কাসেমের মেজ মেয়ে সুমাইয়া বলেন, বাবা মাফ চাওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন- বলে শুনেছি। এখনও কারা কর্তৃপক্ষ কোনো ফোন দেয়নি। তাদের ফোন পেলে দেখা করতে যাবো।

এ বিভাগের আরো..
ঢাকা-ব্রাজিল সামগ্রিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
শেখ হাসিনা গাজা পুনর্দখলের ইসরাইলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন