ডেস্ক : জেলার ৫ উপজেলায় পানি বাড়ছেই। সেই সঙ্গে বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা। এ সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জেলা প্রশাসন। নিম্নচাপের প্রভাবে বুধবার দুপুর থেকে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে।
নতুন করে প্লাবিত হয়েছে অভয়নগর ৯৬টি গ্রাম। এ অঞ্চলের ২৭টি বিলের যেখানে চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। ঘরের ভেতরে পানি-বাইরে পানি।
যশোর-কেশবপুর সড়কের মণিরামপুরের চিনেটোলা থেকে কেশবপুর সড়কের অধিকাংশ স্থান এখন পানির নিচে।
কেশবপুর বাজারও গত তিনদিনে তেমন বৃষ্টি না হলেও জেলার ভবদহ উপদ্রুত অভয়নগর, মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলায় পানি বাড়ছে। শার্শা উপজেলার একই অবস্থা। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে বাঘারপাড়ার একাংশ। শতাধিক গ্রাম এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। পানিবন্দি হয়েছে কম-বেশি সাত লাখ মানুষ। খেয়ে-না খেয়ে কাটছে দুর্গতদের দিন-রাত। অথচ খবর নিচ্ছে না কেউ। এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীদের।
জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর জানান, নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা সাড়ে ৭ লাখের উপরে পৌছাতে পারে। ৫ উপজেলায় ভেসে গেছে শত শত মাছের ঘের আর পুকুর। আমন চাষের ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না হলেও অনুমান করা হচ্ছে কয়েকহাজার হেক্টর হবে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, প্লাবিত গ্রামের সংখ্যা ৫শ’ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ রায়হান কবীর বলেন, তার উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪ হাজারেও বেশি ঘর ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার মানুষ। প্রায় ৩৫ কোটি টাকার ফসলের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাছের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার মত। এ অবস্থায় দুর্গতদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ১৭ মেট্রিকটন চাল, যা চাহিদার তুলনায় কম।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত