রিপন দাশঃ পাহাড়ে আবারো অস্থিতি শীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিছুদিন পর পর একের পর এক দুযোর্গময় পরিস্তিতির সমুক্ষিণ হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে । পাহাড়ের এই বর্বর ও উষ্কানী মুলক পরিস্থিতির সমাধানও মিলছে না। পার্বত্য চট্টগ্রামের এই অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এখন সাম্প্রদায়িক মনোভাব রুপ নিচ্ছে। সম্প্রতি ১১ই আগষ্ট ২০১৬ ঘটে যাওয়া খাগড়াছড়ির মহালছড়ি ও রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলার সীমান্ত এলাকা মধ্য আদামে সেনাবাহিনী ও ইউপিডিএফ যৌথ গোলাগুলি বিনিময় হয়। এতে দুজন সেনাবাহিনী গুরুতর ভাবে আহত হয়, ও পবল গুলি বিনিময় হয় দুপক্ষের মধ্যে এতে এলাকার পরিস্থিতি বেশ নিম্নতর হয়ে উঠে। থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে থাকে নানিয়ারচরে। সাধারণ মানুষের কাছে এ যেন এক দুঃসংবাদ।সম্প্রতি ভুমি কমিশন আইন গেজেট পাশ করার প্রকাশের পরে থেকে পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হতে দেখো যায়। চারদিকে কেবল, উষ্কানীমূলক ও শান্তি ,সম্প্রীতি ,উন্নয়ন পরিপন্থি কার্যক্রম হতে থাকে,নীপিড়ন, নির্যাতন,অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তারের বিভিন্ন উষ্কানীমুলক বর্বরতা প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে, ইতি মধ্যে এধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলায় মহালছড়ি ৯বেংগল ও নানিয়ারচর জোন তাদের সব ধরণের প্রস্তুতি ,টহলদারী,নজরদারী, বিশেষব্যবস্থা গ্রহন করছেন।পার্বত্য গ্রামবাসীকে নিরাপত্তার প্রতি আস্থা থাকার জন্য নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক সচেতনতা মুলক ও বিশ্বাষী মনোভাব এর প্রকাশ ঘটানো হয়।এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও এলাকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এ বিভাগের আরো..
চট্টগ্রামবাসীর বহুল প্রত্যাশিত ক্যান্সার হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন
কক্সবাজার রেললাইনের দুইপাশে হাজারো দর্শকের উচ্ছাস
শকুন ও রাজনীতির কাক থেকে দেশ বাঁচাতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী