October 13, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

মানুষের ‘ভালত্ব’ এবং ‘নোংরা’ হওয়া

ডেস্ক:  মানুষের শরীরে এই ‘ভালত্ব’ এবং ‘নোংরা’হওয়ার নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণার তথ্য সামনে এসেছে। কেউ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অন্যদের খোঁজ রাখে বা তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে যায়। অথবা, বাড়িতে কেউ এলে উচ্ছ্বসিতভাবে তাদের অভিবাদন করে। এই ধরনের মানুষদের আমরা ‘ভাল’ বা ‘নাইস’ বলি। কিন্তু, এই ধরনের উদারতা বা অন্যের জন্য নিজেকে মেলে দিতে যারা পারেন না তাদের আমরা ‘নোংরা’ বলি।
ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অফ এক্সেটারের করা এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে মানুষের ‘ভালত্ব’ আসলে নির্ভর করে একজনের শরীরে থাকা জেনেটিক প্রোগামের উপর। এই ধরনের মানুষরা নিজের জেনেটিক প্রবণতাকে পরিবেশের সঙ্গে থাপ খাইয়ে ব্যবহার করে। এতে একজন সবসময়ই পরিবেশ এবং কার জন্য সে কাজ করছে সেটা সবসময়ই বিচার করে।এবং সেই ভিত্তিতে সে অন্যদের সাহায্য করার মানসিকতা পোষণ করে।
কিন্তু, কিছু মানুষ এই পরিবেশ এবং কার জন্য কাজ করছে সেটা বিবেচনা করেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখে। অন্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে যায় না। কারণ, এই ধরনের মানুষদের মতে, অন্যের জন্য সাহায্যতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। এই ধরনের মানুষরা তাই খুব একটা উদার হয় না। তাই এদের আমরা তখন নোংরা বলি।
এই জেনেটিক টেন্ডেন্সি-কে নিয়ন্ত্রণ করে কিছু ‘বিহেভেরিয়াল হরমোন’। তার জন্য ব্যবহারের এই তারতম্য হয় বলেও দাবি করা হয়েছে গবেষণায়।