ডেস্ক প্রতিবেদন : বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে। এর আওতায় বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে বিবিসি ট্রাস্ট। এছাড়া আরও কিছু পদক্ষেপ সম্বলিত একটি সুপারিশমালা ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।
বিবিসি’র তহবিল ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের শ্বেতপত্রে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপারে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিবিসি ট্রাস্ট বিলুপ্ত করা হবে এবং একটি একক বোর্ড গঠন করে তার কাছে প্রতিষ্ঠানটির দৈনন্দিন পরিচালনার ভার দেওয়া হবে। আর টিভি ও রেডিও সেক্টর পরিচালনাকারী অফকম বিবিসি’র বাহ্যিক পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করবে। করপোরেশনটির সব সার্ভিস পরিচালনার ভার থাকবে অফকমের ওপর।
নানা অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে ইতোপূর্বে প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্ট বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যরা। অনেক এমপি’র মতে, ট্রাস্ট প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় এটি বিলুপ্ত করা প্রয়োজন।
এক বছর আলাপ আলোচনার পর সরকারের শ্বেতপত্র উপস্থাপনকে স্বাগত জানিয়েছেন বিবিসি’র মহাপরিচালক টনি হল। আগামী ১১ বছরের জন্য বিবিসি’র নতুন খসড়া সনদ তৈরি এবং সই হওয়ার আগে এ নিয়ে এমপি’রা বিতর্ক করবেন। ট্রাস্ট বাতিলের ঘোষণা ছাড়াও লাইসেন্স ফি বহাল করার সুপারিশ রয়েছে শ্বেতপত্রে। লাইসেন্স ফি বহাল থাকবে অন্তত ১১ বছর। বিবিসি আইপ্লেয়ার ব্যবহারের জন্য দর্শকশ্রোতাদেরকে এ ফি দিতে হবে।
বিবিসি’র মহাপরিচালক টনি হল বলেন, এতে করে বিবিসি আরও শক্তিশালী এবং সৃজনশীল হয়ে ওঠার সবুজ সঙ্কেত পেল। এটি বিবিসি’র জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। তাছাড়া, সবশেষে আমরা ১১ বছরের একটি চুক্তি সনদ পাব। ১১ বছরের জন্য লাইসেন্স ফি’র নিশ্চয়তা পাব। বিবিসি’র কাজের পরিধি ও ব্যাপকতা অনুমোদন পাবে। সূত্র: বিবিসি, দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট।

এ বিভাগের আরো..
কুয়াকাটায় রাস উৎসব উদযাপন
রমজানে আমিরাতে নিত্যপণ্য মূল্য ৭৫ শতাংশ হ্রাসের ঘোষণা খুচরা বিক্রেতাদের
মৃত্যুর আগে অনুভূতি কী হয়, জানাল গবেষণা