ক্রীড়া ডেস্ক : মুস্তাফিজের আরও একটি চমক জাগানিয়া পারফরম্যান্স। যার সৌজন্যে তার দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদও পেয়েছে অনায়াস জয়। শুক্রবার মুস্তাফিজের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে হায়দ্রাবাদ ৫ উইকেটে হারিয়েছে গুজরাট লায়নসকে।
প্রথমে ব্যাট করে এদিন ৬ উইকেটে ১২৬ রান সংগ্রহে করে গুজরাট লায়নস। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান তুলে ফেলে হায়দ্রাবাদ। এর ফলে ৬ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ডেভিড ওয়ার্নারের দল।
গুজরাটের ১২৭ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে খুব ভালো করতে পারেনি পারেনি হায়দ্রাবাদ। দলীয় ৩৩ রানেই সাজঘরে ফিনের দলের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার (২৪) ও কেন উইলিয়ামসন (৬)। তবে একপাশ আগলে রাখেন আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান।
শেষ পর্যন্ত তার অপরাজিত ৪৭ রানের সৌজন্যেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হায়দ্রাবাদ। ৪০ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ঝলমলে এই ইনিংস উপহার দেন তিনি। এছাড়া দীপাক হুদা ১৮, হেনরিকস ১৪ রান করে ধাওয়ানকে সঙ্গ দেন। গুজরাট লায়নসের হয়ে ধাওয়াল কুলকারনি এবং ডোয়াইন ব্রাভো উভয়ই ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় হায়দ্রাবাদ। আর ব্যাট করতে নেমেই হোঁচট খায় গুজরাট। এদিন প্রথম দুই ওভারে কোন রান সংগ্রহ করতে পারেননি গুজরাটের দুই ওপেনার ডোয়াইন স্মিথ ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে আঘাত হানেন ভুবেনেশ্বর কুমার। ওভারের চতুর্থ বলে এক রান করা স্মিথের ক্যাচ তালুবন্দী করেন মুস্তাফিজ।
দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাককালমকে নিয়ে ২২ রানের চুটি গড়ে চাপ সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সুরেশ রায়না। কিন্তু ২০ রান করা রায়নাকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান ভুবেনেশ্বর। পরের ওভারে মুস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক ওয়ার্নার। অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিতে খুব বেশি সময় নেননি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ। ওভারের চতুর্থ বলেই ফিরিয়ে দেন দীনেশ কার্তিককে।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৪৫ রানের জুটি গড়েন অ্যারন ফিঞ্চ ও ডোয়াইন ব্রাভো। তবে ব্রাভোকে ফিরিয়ে হায়দ্রাবাদকে ব্রেকথ্রু এনে দেন বারিন্দার শ্রান। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে ব্রাভোর ক্যাচ তালুবন্দী করেন বিজয় শঙ্কর। আউট হবার আগে ২০ বলে এক চারে ১৮ রান করেন ব্রাভো। এরপর ১৮ রান করে রবীন্দ্র জাদেজা মুস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরলে ব্যাট হাতে একাই লড়াই করেন ফিঞ্চ। ৪২ বলে তিন চার ও এক ছয়ে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন এই অসি ব্যাটসম্যান। এছাড়া প্রভীণ কুমার অপরাজিত থাকেন ব্যক্তিগত ছয় রানে। অতিরিক্ত পাঁচ রান রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে গুজরাটের স্কোর দাড়ায় ১২৬।
হায়দ্রাবাদের হয়ে সর্বোচ্চ দু’টি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান ও ভুবেনেশ্বর কুমার। বারিন্দার শ্রান ও ময়েসিস হেনরিকস নিয়েছেন একটি করে উইকেট। তবে এদিনও সবচেয়ে কম ইকোনমি রেট ছিল মুস্তাফিজের। চার ওভারে ৪.২৫ ইকোনমিতে ১৭ রান দিয়ে এই দুই উইকেট নেন তিনি। কিন্তু ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেন ভুবনেশ্বর কুমার। যদিওবা অনেকেই ধারণা করেছিলেন মুস্তাফিজের হাতেই উঠবে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

এ বিভাগের আরো..
ঝিনাইদহে ফুটবল খেলার মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
বিশ্ব ফুটবলে ২০২৩ সালের শীর্ষ ১০ ঘটনা
অস্ট্রেলিয়া হেডের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ