ডেস্ক প্রতিবেদন : ৮ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করা অবস্থায় দেশে যুদ্ধ শুরু হয়। ৯ নং সেক্টরের সাবসেক্টর কমান্ডার শাহজাহান ওমরের ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। মুক্তিযুদ্ধের অধিনায়ক সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী (এমএজি ওসমানী) এসে নিজ হাতে আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। কিন্তু যিনি দেশ স্বাধীনতার জন্য এতো বড় অবদান রাখলেন আজ তার নাম দায়সারাভাবে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ। এটাই আমাদের দুঃখ।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বারান্দায় ক্র্যাচে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন এক বৃদ্ধ। নাতি তার প্রতিবন্ধী। জেলা সমাজসেবা অধিদফতর থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়ার জন্য আসছিলেন জেলা প্রশাসকের কাছে সুপারিশ নিতে। নাম তার রঘুনাথ মৃধা। বাড়ি সদর উপজেলার ভীমরুলী গ্রামে।
পারিবারিক বিষয়ে রঘুনাথ বলেন, বসতভিটা ছাড়া বাড়তি পৈত্রিক ভিটেমাটি মোটেও নেই। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে ২ জনে বাড়ি থেকে আলাদা থাকে। ছোট ছেলে দিন মজুর ও ছোট মেয়ে ভোলা নার্সিং ইনস্টিটিউটে পরিচ্ছন্ন কর্মীর চাকরি করেন। মাসিক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ও মেয়ের দেয়া খরচেই চলতে হয়।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত