November 6, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৩টি ধারা বাতিল চেয়ে নোটিস

অাদালত প্রতিবেদক : : তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭, ৮৬ ও সংশোধিত (২০১৩) এর একটি ধারা বাতিল চেয়ে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।

অাজ বুধবার সকালে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিস পাঠান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব এবং তথ্য সচিবকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ আইনগুলো বাতিল করতে বলা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নোটিসের জবাব না পাইলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এ আইনজীবী।

নোটিসে আইনের ৫৭ ও ৮৬ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই আইনের ৫৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বছর এবং অন্যুন সাত বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

এছাড়া ৮৬ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোনো কার্যের ফলে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সরকার, নিয়ন্ত্রক, উপ-নিয়ন্ত্রক, সহকারী নিয়ন্ত্রক বা তাহাদের পক্ষে কার্যরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানী বা ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোনো প্রকার আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না।