November 6, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

পলাতক ৬ আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামালপুরের পলাতক ছয় আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

একইসঙ্গে আসামিদের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হবে কীনা এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন।
পলাতক ৬ আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ
বুধবার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তাপস কান্তি বল। আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাড. মজিবুর রহমান।

এর আগে জামালপুরের আটজনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ আমলে নেয়। এদের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী ছয়জনকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পলাতক আসামিরা হলেন, মো. আশরাফ হোসেন, অধ্যাপক শরীফ আহমেদ ওরফে শরীফ হোসেন, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আব্দুল বারি, হারুন ও মো. আবুল কাসেম।

আটজনের মধ্যে যে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তারা হলেন, জামালপুর শহরের নয়াপাড়া এলাকার অ্যাড. শামছুল হক (৭৫) ও সিহংজানি বালক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফুলবাড়িয়ার বাসিন্দা এস এম ইউসুফ আলী (৮২)।

২৫ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

এর আগে ২৪ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার ধানমণ্ডিস্থ কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান সংবাদ সম্মেলনে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৬ পাতার দালিলিক প্রমাণ এবং ৪০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধের সময়কাল ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

আব্দুল হান্নান খান নিউজবাংলাদেশকে বলেন, “এ মামলার আসামিরা মুক্তিযুদ্ধের সময় জামালপুরে প্রায় দশ হাজার মানুষকে হত্যা করে। পাশাপাশি ৫০ হাজার বাড়িঘর ধ্বংস করে প্রায় ১২ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে।