বিশেষ প্রতিবেদক : আগের তুলনায় সরকারি হাসপাতালে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১১ সালের স্বাস্থ্য বুলেটিনে বছরে মৃতের সংখ্যা ৫২হাজার থাকলেও ২০১৩সালে এ সংখ্যা দ্বিগুনেরও বেশী। স্বাস্থ্য বুলেটিন-২০১৪ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সরকারি হাসপাতালে বছরে মারা যায় প্রায় সোয়া লাখ রোগী।মারা যাওয়াদের মধ্যে প্রসবকালীন শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা, সড়ক দুর্ঘটনা, হৃদরোগ, পক্ষাঘাত, রক্তে বিষসঞ্চার, বক্ষব্যাধি, হার্ট ফেইলিউর, নিউমোনিয়া ও অ্যাজমাসহ ১০টি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। এছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট যত সংখ্যক রোগীর মৃত্যু হচ্ছে তাদের মধ্যে ১২টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যৃর সংখ্যা শতকরা প্রায় ৪০ভাগ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস (এমআইএস) প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিন-২০১৪ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেজ (আইসিডি)-১০ গাইডলাইন অনুসরণে প্রতিটি মৃত্যু হিসাবের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে যথাযথ মনিটরিং ও সুপারভিশনের মাধ্যমে দেশের সকল জেলা, উপজেলা সদরে ২০০ থেকে ২৫০শয্যার হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত রোগীর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে ওই কর্মকর্তারা দাবি করেন।

এ বিভাগের আরো..
ঢাকা-ব্রাজিল সামগ্রিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
শেখ হাসিনা গাজা পুনর্দখলের ইসরাইলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন