ডেস্ক: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের চার বিচারপতির ‘বিদ্রোহ’-র ফলে তৈরি সংকট যে মেটেনি তা একপ্রকার ফের স্পষ্ট হল। সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ মামলার নিস্পত্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র। সেই বেঞ্চে নেই শীর্ষ আদালতের ‘বিদ্রোহী’ চার বিচারপতি।
সোমবার ভারতীয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মানান মিশ্র প্রধান বিচারপতির সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের পর তিনি বলেন, বিষয়টি মিটতে চলেছে। পাশাপাশি এদিনই অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে কোনও আভ্যন্তরীণ সংকট নেই। কিন্তু তা যে মেটেনি তা স্পষ্ট হয়ে গেল।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের যে সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয়েছে সেখানে রয়েছেন বিচারপতি এ কে সিকরি, বিচারপতি এ এম খানওয়ালিকর, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি অশোক ভূষণ। অর্থাৎ ওই বেঞ্চে নেই বিচারপতি জে চেলামেশ্বর, বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এম বি লোকুর ও বিচারপতি কুরিয়েন জোসেফ। বুধবার থেকে ওই সাংবিধানিক বেঞ্চে আধার আইন, সমকাম বিবাহ ও শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার নজিরবিহীনভাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন ৪ বিচারপতি। বিদ্রোহী ৪ বিচারপতি সাংবাদিক সম্মেলন করে দাবি করেন, প্রধানবিচারপতি নিজের মর্জি মাফিক কাজ করেন। ওই সাংবাদিক সম্মেলনে শুক্রবার বিচারপতি রঞ্জন গগৈ বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন ঠিকঠাক চলছে না। কোনও নিয়মনীতি না মেনেই একাধিক সংবেদনশীর মামলা জুনিয়র বিচারপতিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।’ তাঁদের ওই মন্তব্যের পরই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।

এ বিভাগের আরো..
রাফায় হামলা হলে ইসরায়েলের ‘বিপজ্জনক পরিণতি’ হবে
ইসরায়েল আল-শিফা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে: হামাস
শ্রমিক ও গণপ্রবাসীদের সম্মাননায় আল-হারামাইন এর ইফতার মাহফিল।