November 5, 2026

দৈনিক প্রথম কথা

বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক

২৯তম জাতীয় সম্মেলনে কারা আসছেন ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে

আগামী ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। ১২ জানুয়ারী শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরী সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচনে বরাবরের মতো এবারও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রত্যক্ষ ও চূড়ান্ত নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয় ২ বছরের জন্য এবং নেতৃত্বে আসার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ বছর। তবে গত সম্মেলন যথাসময়ে না হওয়ায় ২ বছর গ্রেস দিয়ে বয়সসীমা শেষ পর্যন্ত ২৯ নির্ধারিত হয়েছিল। কিন্তু এবার যথাসময়ে সম্মেলন হওয়ায় গ্রেস দেবার প্রশ্ন আসবেনা।

আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে আগামী জাতীয় নির্বাচনসহ বেশ কিছু জাতীয় এবং দলীয় বিষয়াদি বিবেচনায় রেখে এবার খুবই হিসাব-নিকাশ করে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নিবেদিত প্রাণ মেধাবী এবং পরীক্ষিত কর্মীদের দিয়ে ছাত্রলীগের নেতৃ্ত্ব সজ্জিত হতে যাচ্ছে।

তাঁরা আরো জানিয়েছেন যে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে ৫ই জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কার কী রকম ভূমিকা ছিল। যেই প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যেই হাইকমান্ডের কাছে রয়েছে। এছাড়া আগামীতে সজীব ওয়াজদ জয়ের রাজনীতির বিষয়টি মাথায় রেখে উত্তরাঞ্চলে সামগ্রিক রাজনীতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবার বিষয়টি রয়েছে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে রাজশাহী বিভাগ থেকে একটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া বরিশাল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলও বিবেচনায় থাকবে।

বরিশাল থেকে এগিয়ে রয়েছেন কৃষিশিক্ষা সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার, আইন সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয় এবং সহ-সম্পাদক খাদিমুল বাশার জয়। নেতৃত্বের দৌড়ে উত্তরাঞ্চল থেকে এগিয়ে থাকবেন দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা এবং আইন উপ-সম্পাদক বেলাল হোসেন বিদ্যুৎ ও সাদ্দাম হোসেন এবং সহ-সম্পাদক আবু হাসনাত হিমেল। চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে রয়েছেন প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক মাজহার শামীম এবং উপ-সম্পাদক খাজা খায়ের সুজন। এছাড়াও আলোচনায় আছেন প্রচার সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাবু, গণশিক্ষা সম্পাদক আনিসুল ইসলাম জুয়েল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিও একই দিনে ঘোষিত হতে পারে। যেসব অঞ্চল কেন্দ্রে বাদ পড়বে সেসব অঞ্চল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব আসার রেওয়াজ রয়েছে ছাত্রলীগে।