মাহবুবহোসেন পিয়াল, ফরিদপুর : ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁয় বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ব্যাপক এলাকায় নদী ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে।
গত ৭ দিনে পদ্মার ভাঙ্গণে চর নাছিরপুর ও নারিকেল বাড়ীয়া ইউনিয়নের অর্ধশত ঘরবাড়ি ,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফসলি জমি ও আড়িয়াল খাঁর ভাঙ্গণে ঢেউখালী ও চর মানাইর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত ঘরবাড়ি, মূল্যবান গাছ পালা ও ফসলের মাঠ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঐ সকল ইউনিয়নের নদী পাড়ে মানুষ বর্তমানে ভাঙ্গণ আতংকে দিন কাটাচ্ছে। চর মানাইর ইউনিয়নের চর বন্দর খোলা ফাজিল মাদ্রাসা, নাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাংশ নদী গর্ভে চলে গেছে। বাকী অংশ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরী ব্যবস্থা গ্রহনের প্রয়োজন। ঐ এলাকার ভাঙ্গণ রোধের জন্য গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে ভাঙ্গণ প্রতিরোধে কিছুটা ব্যবস্থা নিয়ে ছিল।
এ বছর ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরকারের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় শত বছরের ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক মাদ্রাসা এবং বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
জানাগেছে, চর মানাইর ইউনিয়নের গিয়াসউদ্দিন ফকির কান্দি, বেপারী কান্দি, আমির খাঁর কান্দি, হাজারী হাজীর কান্দি, আদেলউদ্দিন মোল্লার কান্দি, উত্তর চরচান্দ্রা গ্রামে ব্যাপক নদী ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে। আড়িয়াল খাঁর ভাঙ্গণে চর বলাশিয়া মসজিদ ঘাট, চন্দ্রাপাড়া ও শিমুলতলী এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে। পদ্মার ভাঙ্গনে চর নাসিরপুর ইউনিয়নের বাবুরআলী মোল্লার কান্দি, মোল্লা কান্দি, মফিজদ্দিন হাজীর কান্দি, নাজির মাহমুদ হাজীর কান্দি, খলিফা কান্দি, জঙ্গী কান্দি, নারিকেল বাড়ীয়া ইউনিয়নের নন্দলালপুর, বেথুয়া ও খাল পাড় ভার্সা এলাকায় পদ্মা নদীর ব্যাপক ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে।
ঐ এলাকার ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মূল্যবান ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের মাঠ হুমকির মুখে রয়েছে। দিন দিন ভাঙ্গণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী পাড়ের মানুষের সাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হচ্ছে ও ভাঙ্গণ আতংকে দিন কাটাচ্ছে।
গত ১৪ জুলাই শনিবার সদরপুর উপজেলা সহকমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃদঃ) ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত সরকারি কোন সাহায্য এলাকায় পৌছেনি।

এ বিভাগের আরো..
সাবেক বিচারপতি আবদুল আউয়ালের ইন্তেকাল
দুই সিটির নবনির্বাচিত মেয়ররা শপথ নিলেন
কয়রায় জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত