ডেস্ক: ১০ নাম্বার মহাবিপদ সংকেতের মধ্যদিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্নিঝড় মোরা’র আঘাতে রাঙামাটি শহরের মঙ্গলবার রাত ৮টায় পৃথক দুটি স্থানে উপচে পড়া গাছের নীচে চাপা পড়ে ২ জন নিহত হয়েছে । মৃতরা হলো স্কুল ছাত্রী জাহিদা সুলতানা (মাহিমা) (১৪) ও গৃহিনী হাজেরা বেগম (৪৫)।
এদিকে সকাল থেকে শুরু হওয়া মোরার তীব্র আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে রাঙামাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা। অচল হয়ে গেছে জনজীবন। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বসতঘর ও সড়কের উপর উপচে পড়েছে বড় বড় গাছ ও ডালপালা।
শহরের আসামবস্তি এলাকায় ভেঙ্গে পড়া গাছের আঘাতে গুরুত্বর আহত হন গৃহবধু হাজেরা বেগম(৪৫)। তাকে উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে মারা যায়। অপরদিকে শহরের ভেদভেদীস্থ মুসলিম পাড়া এলাকায় গোড়া থেকে মাটি সরে গিয়ে উপচে পড়া গাছের নীচে চাপা পড়ে ৯ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রী জাহিদা সুলতানা (মাহিমা) (১৪) মারা যায়।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মুহাম্মদ শওকত আকবর খান হাসপাতালে দুইটি মৃতদেহ আসার খবর নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা তথ্যানুসারে জেলা শহরের কলেজ গেইট, কল্যাণপুর, তবলছড়ি, আসামবস্তি, রিজার্ভ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচলের রাস্তা ও বসতঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়েছে ।
ফায়ার সার্ভিস কর্তপক্ষের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত একজন জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিসের দুইটি গাড়িসহ এডি ও ডিএডির নেতৃত্বে তাদের সকল সদস্য সড়ক বিভাগের লোকজনের সাথে সম্মিলিতভাবে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করছে।
এদিকে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষনিক খবরাখবর নিচ্ছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোঃ মানজারুল মান্নান। মোরার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে আপডেট তথ্য পেতে জেলা প্রশাসকের ত্রাণ অফিসে খোলা হয়েছে মনিটরিং সেল।
জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা বিশ্বনাথ মজুমদার জানিয়েছেন, মোরার আঘাতে নিহত দুইজনের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: বাসস

এ বিভাগের আরো..
চট্টগ্রামবাসীর বহুল প্রত্যাশিত ক্যান্সার হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন
কক্সবাজার রেললাইনের দুইপাশে হাজারো দর্শকের উচ্ছাস
শকুন ও রাজনীতির কাক থেকে দেশ বাঁচাতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী